Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, জুলাই 18, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইরানে হামলা জোরদার করছে ট্রাম্প, ইসরায়েলে পাঠাচ্ছেন কয়েক ডজন মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান
    আন্তর্জাতিক

    ইরানে হামলা জোরদার করছে ট্রাম্প, ইসরায়েলে পাঠাচ্ছেন কয়েক ডজন মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান

    নিউজ ডেস্কজুলাই 18, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো মুহূর্তে হামলার পরিসর ও তীব্রতা আরও বাড়াতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে ইসরায়েলে আরও কয়েক ডজন রিফুয়েলিং প্লেন (জ্বালানিবাহী বিমান) পাঠাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আমেরিকা ও ইসরালের তিনজন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সূত্র: অ্যাক্সিওস

    মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে বেশ কয়েকটি নতুন সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপন করার পর ইরানে ব্যাপক হামলার কথা ভাবছেন তিনি। হরমুজ প্রণালির আশপাশে বর্তমানে যে মার্কিন হামলা চলছে, নতুন অভিযানের বিস্তৃতি হবে তার চেয়েও অনেক বেশি।

    যুক্তরাষ্ট্র এখন বেশ কয়েকটি বিকল্পের কথা ভাবছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে বোমাবর্ষণ। পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার মাত্রা আরও বাড়িয়ে তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে মাটির আরও গভীরে পুঁতে ফেলার পরিকল্পনাও রয়েছে। পিকঅ্যাক্স মাউন্টেইনের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনাও রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের সন্দেহ, সেখানে গোপনে নতুন কোনো সামরিক স্থাপনা গড়ে তুলছে ইরান।

    ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে সংঘাতের তীব্রতা বাড়াতে ইচ্ছুক তিনি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের এমন ক্ষতি করতে চাইছেন তিনি, যাতে তেহরান বাধ্য হয়ে হরমুজ খুলে দেয় এবং ট্রাম্পের পরমাণু-সংক্রান্ত দাবি মেনে নেয়।

    মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই হামলার তীব্রতা বাড়ানোর নির্দেশ দিতে পারেন ট্রাম্প।

    বৃহস্পতিবার টানা পঞ্চম দিনের মতো হরমুজ ও ইরানের দক্ষিণ উপকূলে ইরানি ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।

    একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বন্দর আব্বাস শহরের আশেপাশের অন্তত সাতটি সেতুতে বোমাবর্ষণ করেছে মার্কিন বাহিনী। হরমুজে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অভিযানের কেন্দ্র বলে পরিচিত এ শহর। বন্দর আব্বাস হয়েই প্রণালির অন্যান্য অংশে অস্ত্রশস্ত্র, রসদ ও বাড়তি সেনা পৌঁছায়।

    পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরানও। জর্ডন, কাতার, বাহরান, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলতে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে তারা। আইআরজিসির দাবি, সিরিয়ার একটি মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে তারা। তবে কয়েক মাস আগেই ওই ঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    এই মুহূর্তে তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৩০টি সামরিক রিফুয়েলিং বিমান অবস্থান করছে। ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে রেমন বিমানবন্দরেও প্রায় সমসংখ্যক মার্কিন বিমান রয়েছে।

    ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমান)পাঠাতে চায় আমেরিকা। এর ফলে যুদ্ধ শুরুর প্রাক্কালে ঠিক যতগুলো মার্কিন বিমান মজুত ছিল, সেই সংখ্যায় ফিরে যাবে ইসরায়েল।

    মার্কিন বাহিনীর প্রথম পছন্দ তেল বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের অন্য বিমানঘাঁটিগুলো ইরানের নাগালের মধ্যে এবং মার্কিন যুদ্ধবিমানের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। সে তুলনায় বেন গুরিয়ন বেশি নিরাপদ।

    যুক্তরাষ্ট্রের এই কয়েক ডজন রিফুয়েলিং বিমানের উপস্থিতি এখন ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিতর্কের ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাসের পর মাস ধরে বেন গুরিয়নে অবস্থান করা এই মার্কিন বিমানগুলোর কারণে গোটা বিমানবন্দর প্রায় অচল হওয়ার অবস্থা হয়েছে।

    যুদ্ধের সময় ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ফ্লাইটও বন্ধ ছিল। তাই তখন এতে কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু এখন আকাশসীমা খোলার পর এখন যদি বিমানবন্দরে আরও মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান আসে, তাহলে গণহারে সাধারণ ফ্লাইট বাতিল করতে হবে।

    আর তিন মাস পরই ইসরায়েলের নির্বাচন। এমন সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেতানিয়াহুর জোট সরকারের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ মিত্র ও ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রী মিরি রেগেভ ইতিমধ্যেই বলেছেন, মার্কিন বিমানগুলোকে বেন গুরিয়ন থেকে সরাতে হবে, নয়তো এদের সংখ্যা কমাতে হবে। কিন্তু প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই দাবির বিরোধিতা করেছে।

    এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, বাড়তি রিফুয়েলিং বিমানগুলো রাখার ব্যবস্থা ইসরায়েল সরকারকেই করতে হবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইরানে হামলা বাড়িয়ে নতুন ঝুঁকিতে ট্রাম্প, কী হতে পারে পরিণতি?

    জুলাই 18, 2026
    আন্তর্জাতিক

    কুয়েতের তেলক্ষেতে ভয়াবহ হামলা চালাল ইরান

    জুলাই 18, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইরান যুদ্ধে আগের চেয়েও খারাপ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র: সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত

    জুলাই 18, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.