ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একই অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা ও নিরাপত্তা সমন্বয়ের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।a
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকের পর ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মন্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং এটি দুই দেশের সরকারের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক সমর্থনের প্রতিফলন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়ে উভয় দেশের লক্ষ্য ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ এক।
হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত প্রায় ৯০ মিনিটের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর এটি ছিল ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অষ্টম সরাসরি বৈঠক। বিশ্লেষকদের মতে, দুই নেতার ধারাবাহিক বৈঠক থেকে স্পষ্ট হচ্ছে যে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখতে আগ্রহী।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই অভিন্ন অবস্থান ভবিষ্যতে অঞ্চলটির কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের ইঙ্গিতও বহন করছে এই বৈঠক।

