Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শনি, আগস্ট 22, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শেষ মুহূর্তে সমঝোতা ভেস্তে গেল, ফের জ্বলে উঠল যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ
    আন্তর্জাতিক

    শেষ মুহূর্তে সমঝোতা ভেস্তে গেল, ফের জ্বলে উঠল যুক্তরাষ্ট্র–কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ

    নিউজ ডেস্কUpdated:আগস্ট 22, 2026আগস্ট 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    উত্তর আমেরিকার দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে নতুন করে বাণিজ্যিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কয়েক দিন ধরে চলা আলোচনার পর শেষ মুহূর্তে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারায় শুক্রবার রাতে আলোচনা স্থগিত করেছে কানাডা। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র কানাডার পণ্যের ওপর যে শুল্ক আরোপ করেছে, তার সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছে অটোয়া।

    ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্যিক বিরোধ আবারও প্রকাশ্য সংঘাতে রূপ নিয়েছে। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, আলোচনার শেষ দিকে উভয় পক্ষের বক্তব্যে সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা টেকেনি।

    যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্ক ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। এর আওতায় পড়েছে কানাডা থেকে আমদানি করা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, তাঁর দেশও শ্রমিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের বিপরীতে সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।

    শেষ মুহূর্তে কেন ভেঙে গেল আলোচনা?

    গত কয়েক দিন ধরে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ে সরাসরি যোগাযোগ চলছিল। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা তিন দিন পিছিয়েও দিয়েছিলেন। এতে ধারণা করা হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন, কানাডার সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো গেছে। তবে একই সঙ্গে তিনি এটিও স্পষ্ট করেছিলেন যে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চূড়ান্ত করার বিষয়টি তখনও বাকি ছিল।

    কিন্তু শুক্রবার রাতের মধ্যে সেই সম্ভাবনা ভেঙে পড়ে।

    মার্ক কার্নি জানান, দুই দেশ নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করে এমন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি। ফলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন এবং কানাডার আলোচনাকারী দলকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেন।

    অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার দাবি করেছেন, কানাডার নতুন কিছু দাবি এবং আগের কিছু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার কারণে কয়েক দিনের আলোচনায় তৈরি হওয়া ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়।

    গ্রিয়ারের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সুবিধাজনক বাণিজ্যিক সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এর মধ্যে ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও কাঠের ওপর শুল্ক উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর বিষয়ও ছিল।

    কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী কার্নির মতে, শেষ মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে যে পরিবর্তন আনা হয়েছিল, তা ছিল অন্যায্য ও অর্থনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। তাঁর মতে, এসব পরিবর্তন সম্ভাব্য চুক্তির নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করেছে।

    ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক

    নতুন করে কার্যকর হওয়া শুল্কের আওতায় রয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্য। গত বছর যুক্তরাষ্ট্র কানাডা থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করেছিল, তার মোট মূল্যের প্রায় ৫ শতাংশের সমান এই পরিমাণ।

    সংখ্যার বিচারে এটি দুই দেশের মোট বাণিজ্যের তুলনায় খুব বড় অংশ নয়। ফলে শুধু এই শুল্কের কারণে মার্কিন ভোক্তাদের ওপর তাৎক্ষণিক বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা সীমিত।

    কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষণের দিক থেকে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে প্রশ্ন শুধু ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যের নয়; বরং এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া বাণিজ্যযুদ্ধ কতটা বিস্তৃত হবে, সেটিই বড় উদ্বেগ।

    বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা পরস্পরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের শিল্প, সরবরাহব্যবস্থা ও সীমান্তভিত্তিক ব্যবসা পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই শুল্কের পরিধি বাড়লে এর প্রভাব নির্দিষ্ট কয়েকটি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে।

    কানাডার পাল্টা পদক্ষেপ

    মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। একই সঙ্গে কানাডীয় শ্রমিক ও ব্যবসাগুলোকে সহায়তা দিতে নতুন কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    গত ১৮ মাসে কানাডা ইতোমধ্যে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে। এর সঙ্গে নতুন সহায়তা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    কার্নির বক্তব্যে আরও স্পষ্ট হয়েছে যে, অটোয়া এই সংঘাতকে শুধু সাময়িক বাণিজ্যিক বিরোধ হিসেবে দেখছে না। তিনি বলেছেন, কানাডার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দ্রুত হচ্ছে এবং কোনো দেশকে কানাডার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেওয়া হবে না।

    এই বক্তব্যের মাধ্যমে কানাডা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ঝুঁকি কমিয়ে নিজেদের অর্থনীতিকে আরও স্বনির্ভর করার রাজনৈতিক বার্তাই দিয়েছে।

    ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ি নিয়ে ছিল সমঝোতার সম্ভাবনা

    আলোচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের শুল্ক কমানোর বিষয় ছিল। এর মধ্যে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম অন্যতম।

    এই দুটি পণ্যের ওপর বর্তমানে ৫০ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। আলোচনার সময় তা অর্ধেকে নামিয়ে আনার বিষয় বিবেচনা করা হয়েছিল।

    কানাডার গাড়ির ক্ষেত্রেও শুল্ক কমানোর আলোচনা চলছিল। কানাডার গাড়ির ওপর বর্তমানে ২৫ শতাংশ শুল্ক রয়েছে। তবে এই শুল্কের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি যন্ত্রাংশের মূল্য বাদ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আলোচনায় শুল্কের হার ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়ও উঠে এসেছিল।

    এ কারণে শেষ মুহূর্তে আলোচনার ব্যর্থতা শুধু রাজনৈতিক সম্পর্কের জন্য নয়, দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতের জন্যও হতাশাজনক।

    কৃষিপণ্য নিয়েও দীর্ঘদিনের বিরোধ

    দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের আরেকটি পুরোনো বিরোধের জায়গা হলো দুগ্ধপণ্য।

    কানাডা যুক্তরাষ্ট্রের দুগ্ধপণ্যকে নিজস্ব বাজারে প্রবেশের সুযোগ দেয়। তবে নির্দিষ্ট পরিমাণের ওপর আমদানির ক্ষেত্রে কোটা রয়েছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অনেক বেশি শুল্ক দিতে হয়। ফলে অতিরিক্ত মার্কিন দুগ্ধপণ্য কানাডার বাজারে প্রবেশ করা কার্যত কঠিন হয়ে পড়ে।

    ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবস্থার সমালোচনা করে আসছেন। চলতি সপ্তাহের শুরুতেও তিনি দাবি করেছিলেন, সম্ভাব্য চুক্তিটি মার্কিন কৃষকদের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসবে।

    অর্থাৎ ইস্পাত, গাড়ি ও অ্যালুমিনিয়ামের পাশাপাশি কৃষিপণ্যের বাজারে প্রবেশাধিকারও দুই দেশের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।

    ১৯৩০-এর দশকের পুরোনো আইন এখন নতুন অস্ত্র

    এই বাণিজ্যিক সংঘাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোর একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের আইনি ভিত্তি।

    ট্রাম্প ১৯৩০-এর দশকের একটি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত আইন ব্যবহার করছেন। এই আইন এর আগে এভাবে শুল্ক আরোপের জন্য ব্যবহার করা হয়নি।

    আইনটির আওতায় কোনো দেশ মার্কিন বাণিজ্যের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে বলে প্রশাসন মনে করলে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    এ কারণে বিষয়টি শুধু কানাডার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একই আইনি কাঠামো ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বাণিজ্যিক অংশীদারের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করা হতে পারে।

    তবে এই পদক্ষেপ আদালতে চ্যালেঞ্জ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন শুল্ক আরোপের উদ্যোগও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এই শুল্ক কত দিন থাকবে?

    আইনটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এতে শুল্কের কার্যকারিতার নির্দিষ্ট সময়সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত নেই।

    অর্থাৎ আদালত যদি এই পদ্ধতিকে অবৈধ ঘোষণা না করে, তাহলে আরোপ করা শুল্ক দীর্ঘ সময় বহাল থাকতে পারে। ট্রাম্প নিজে বা পরবর্তী কোনো প্রেসিডেন্ট তা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এই শুল্ক কার্যকর থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

    এটি কানাডার জন্য বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করছে।

    কারণ ব্যবসায়ীরা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থিতিশীল নীতির ওপর নির্ভর করেন। শুল্ক দীর্ঘ সময় বহাল থাকলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিকল্প বাজার, সরবরাহকারী এবং উৎপাদনব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

    প্রায় ৫০০ ধরনের পণ্যে প্রভাব

    নতুন শুল্কের আওতায় কানাডার প্রায় ৫০০ ধরনের পণ্য রয়েছে। এর অর্থ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা নির্দিষ্ট কয়েকটি পণ্যের মধ্যেই শুল্ক সীমাবদ্ধ থাকছে না।

    তবে আপাতত কানাডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যকে শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং মাছ।

    তবে এই ছাড় ভবিষ্যতেও বহাল থাকবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

    এখানেই বাণিজ্যযুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। আজ যেসব পণ্য শুল্কের বাইরে রয়েছে, আগামীতে সেগুলোর ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।

    ভোক্তার চেয়ে বড় ঝুঁকি সরবরাহব্যবস্থায়

    বর্তমান শুল্কের আওতাভুক্ত পণ্যের মূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার হওয়ায় সরাসরি মার্কিন ভোক্তাদের ওপর এর বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা সীমিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম আগে থেকেই ভোক্তাদের ওপর চাপ তৈরি করছে।

    তবে প্রকৃত ঝুঁকি অন্য জায়গায়।

    দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও খারাপ হলে উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে, ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং সীমান্তনির্ভর শিল্পগুলো নতুন সমস্যায় পড়তে পারে।

    একটি দেশের শুল্ক আরেক দেশের পাল্টা শুল্ক ডেকে আনলে পণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ সিদ্ধান্তও প্রভাবিত হতে পারে। ফলে স্বল্পমেয়াদে সীমিত প্রভাব দেখা গেলেও দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ বড় হতে পারে।

    বাণিজ্যযুদ্ধের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু?

    যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বর্তমান বিরোধকে শুধু শুল্কের লড়াই হিসেবে দেখলে পুরো চিত্রটি বোঝা যাবে না। এটি আসলে উত্তর আমেরিকার দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি বড় প্রশ্ন তৈরি করছে।

    ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার ক্ষমতায় ফেরার পর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধীরে ধীরে অবনতির দিকে গেছে। গাড়ি, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামসহ কানাডার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পে যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে। জবাবে কানাডাও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে।

    গত বছর কার্নি কানাডার সবচেয়ে ব্যাপক পাল্টা পদক্ষেপগুলোর কিছুটা প্রত্যাহার করলেও দুই দেশের সম্পর্কের উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি।

    এখন শেষ মুহূর্তের আলোচনাও ব্যর্থ হওয়ায় সেই পুরোনো বিরোধ নতুন মাত্রা পেয়েছে।

    সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হলো, এই সংঘাত যদি ধীরে ধীরে আরও পণ্যে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে শুধু কানাডা বা যুক্তরাষ্ট্র নয়, উত্তর আমেরিকার পুরো সরবরাহব্যবস্থাই চাপের মুখে পড়তে পারে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে তাই ৫০ শতাংশ শুল্কের চেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—দুই দেশ কি আবার আলোচনার টেবিলে ফিরবে, নাকি সীমিত বাণিজ্যিক বিরোধ ধীরে ধীরে দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সংঘাতে পরিণত হবে?

    এই প্রশ্নের উত্তরই আগামী দিনগুলোতে উত্তর আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    মুঠোফোনের বিরোধে পাহাড়ে ছুটে গেলেন ছেলে, বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বাবা-মায়েরও

    আগস্ট 22, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বাংলাদেশ থেকে যাওয়া হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের ছয় মাসে নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা

    আগস্ট 22, 2026
    আন্তর্জাতিক

    ইউক্রেনে শপিং সেন্টারে ড্রোন হামলায় নিহত ১৫

    আগস্ট 22, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.