যুক্তরাজ্য ও তার মিত্র দেশগুলো ইউক্রেনকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হ্যালি এ তথ্য জানিয়েছেন। বিবিসি বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) এই প্রতিবেদনে জানায়।
প্যারিসে এক শীর্ষ বৈঠকের পর হ্যালি কিয়েভকে জানিয়েছেন, শান্তি চুক্তি বাস্তবায়িত হলেও দেশটির আকাশ, সমুদ্র ও ভূমির নিরাপত্তায় মিত্ররা সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
তবে চীনে সফররত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধ বন্ধে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি ইউক্রেন আলোচনার টেবিলে না আসে, তাহলে অস্ত্রের ভাষা ব্যবহার করেই যুদ্ধ শেষ করতে হবে।
হ্যালি বলেন, পুতিনের বক্তব্যে দম্ভ প্রকাশ পেয়েছে। তিনি আরও জানান, রাশিয়া চাপের মধ্যে রয়েছে। এছাড়া হ্যালি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন। ট্রাম্প পুতিনকে আলোচনার টেবিলে আসার সুযোগ দিয়েছেন। যদিও গত মাসে আলাস্কায় ট্রাম্প ও পুতিনের বৈঠক নিয়ে সমালোচনা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ট্রাম্প পুনরায় পুতিনের ওপর হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, যদি যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব বাতিল হয়, তাহলে রুশ প্রেসিডেন্টের ওপর শাস্তি আরোপ করা হবে। অন্যথায় শান্তি আলোচনার জন্য তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বুধবার পুতিনকে প্রশ্ন করা হয়, যুদ্ধ শিগগির শেষ হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, “একটি টানেলের শেষ প্রান্তে আলো দেখা যাচ্ছে। স্বাভাবিক জ্ঞান থাকলে আলোচনার টেবিলে এসে যুদ্ধের ইতি ঘটানো উচিত। নইলে আরও সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।”
গত সপ্তাহে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ অভিযোগ করেন, পুতিন ট্রাম্পকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। তবে হ্যালি বলেন, যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রাম্প অন্য পথও খোলা রেখেছেন।

