যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের একদল আইনপ্রণেতা বেইজিংয়ে বিরল সফরে গিয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারা বলেছেন, বিশ্বের বৃহত্তম এই দুই অর্থনীতির মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো ও সম্পর্কের বরফ গলানো জরুরি।
রোববারের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল করার নতুন উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৯ সালের পর এটিই প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের কোনো দলের চীন সফর। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে আনুষ্ঠানিক সফর বন্ধ হয়ে যায়। এর সঙ্গে যোগ হয় ভাইরাসের উৎস নিয়ে বিরোধ, যা দ্রুত সম্পর্ককে খারাপ করে তোলে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এই সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি জিনপিং গত শুক্রবার ফোনে কথা বলেছেন। বাণিজ্য যুদ্ধ, সেমিকন্ডাক্টর চিপে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টিকটকের মালিকানা, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের কর্মকাণ্ড ও তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে টানাপোড়েন এখনো চলমান। উভয় দেশই এর সমাধানের পথ খুঁজছে।
চীনে মার্কিন দূতাবাসের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং সফরকে ‘বরফ-গলানো’ উদ্যোগ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার ভাষায়, এ সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডেমোক্র্যাট নেতা অ্যাডাম স্মিথ। বৈঠকে তিনি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই সম্পর্ক জোরদারের জন্য আরও কাজ করতে হবে। প্রতিনিধি পরিষদের সফরে ছয়–সাত বছরের বিরতি থাকা উচিত নয়।
তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের এ ধরনের আরও বেশি বিনিময় প্রয়োজন। আমরা আশা করি, এটি বরফ গলাতে সহায়ক হবে এবং সামনে আরও ঘন ঘন এ ধরনের যোগাযোগ ঘটবে।”

