ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সোমবার মধ্য ইসরায়েল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম তীরের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে, তবে তৎক্ষণাৎ কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, হুথি বিদ্রোহীদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, মধ্য ইসরায়েল ও দক্ষিণ-পশ্চিম তীরের কয়েকটি বসতিতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
গাজার বর্তমান পরিস্থিতি আরও বিপর্যস্ত। ইসরায়েলি সেনারা স্থানীয় সময় রোববার গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে, যা আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতাল ধ্বংস করেছে। আহতদের চিকিৎসা পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল বাররো মন্তব্য করেছেন, ইসরায়েলের বর্তমান নীতি কেবল গাজার মানুষের জন্য নয়, তাদের নিজেদের নাগরিক ও বন্দিদের জন্যও বিপজ্জনক। তিনি বলেন, “গাজার ওপর মানবিক অবরোধ তুলে না নেওয়া, অর্থনৈতিক চাপ বন্ধ না করা এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখা শাস্তিমূলক প্রভাব ফেলছে।”
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ’র প্রধান ফিলিপ লাজারিনি জানিয়েছেন, গাজার স্কুলগুলো প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বসবাসকারী মানুষদের প্রতিদিনের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে খাদ্য ও সুপেয় পানি পাওয়া।
এখন পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৬৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৬২ জন আহত হয়েছেন। লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, বাস্তুসংস্থানের ক্ষতি হয়েছে ব্যাপকভাবে।

