Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সমুদ্রপৃষ্ঠের ৪০০ মিটার গভীরে সড়কসুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে নরওয়ে
    আন্তর্জাতিক

    সমুদ্রপৃষ্ঠের ৪০০ মিটার গভীরে সড়কসুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে নরওয়ে

    মনিরুজ্জামানজানুয়ারি 21, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বিশাল এক পরিবহন প্রকল্পের কাজ নীরবে এগিয়ে নিচ্ছে নরওয়ে। জনচক্ষুর আড়ালে উত্তর সাগরের গভীর তলদেশে চলছে এই কর্মযজ্ঞ। প্রকল্পটির নাম ‘রগফাস্ট’। এটি একটি সমুদ্রতল সড়কসুড়ঙ্গ, যা নরওয়ের পশ্চিম উপকূলে ফেরিবিহীন নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ গড়ে তুলবে।

    ইতোমধ্যে কঠিন শিলা কেটে সুড়ঙ্গ খননের কাজ শুরু হয়েছে। পুরো টানেলটির দৈর্ঘ্য হবে ২৭ কিলোমিটারের বেশি। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৪০০ মিটার নিচ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।

    প্রকল্পটি চালু হলে নরওয়ের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে যাতায়াতের সময় কমবে। একই সঙ্গে ফেরি পারাপারের ওপর নির্ভরশীলতাও অনেকটাই হ্রাস পাবে। বর্তমানে ফেরি চলাচল আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করায় নিয়মিত যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হয়।

    এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রকল্পের অগ্রগতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জটিল প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের কারণে রগফাস্ট প্রকল্প শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। রগফাস্ট নামটি এসেছে নরওয়েজীয় শব্দ ‘রোগাল্যান্ড ফাস্টফোরবিনডেলসে’ থেকে। এটি যে রোগাল্যান্ড অঞ্চলকে সংযুক্ত করবে এবং স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তুলবে, সেই ধারণা থেকেই এই নামকরণ।

    এই সড়কসুড়ঙ্গটি র‌্যান্ডাবার্গ ও বোকনকে সংযুক্ত করবে। এটি উপকূলীয় মহাসড়ক ই৩৯-এর অংশ। ই৩৯ মহাসড়কটি উত্তরের ত্রোনহাইম থেকে দক্ষিণের ক্রিস্তিয়ানসান্দ পর্যন্ত বিস্তৃত। এর মোট দৈর্ঘ্য এক হাজার ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি।

    বর্তমানে এই পথে চলাচলের সময় গাড়িচালকদের সাতটি ফেরি ব্যবহার করতে হয়। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় সড়কসুড়ঙ্গ ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে এসব ফেরি পারাপার বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রগফাস্ট সেই পরিকল্পনার সবচেয়ে জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি।

    প্রকৌশলগত দিক থেকে রগফাস্ট একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সুড়ঙ্গটির সবচেয়ে গভীর অংশ সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৩৯২ মিটার নিচে থাকবে। সড়ক বা রেল চলাচলের জন্য ব্যবহৃত সমুদ্রতল সুড়ঙ্গগুলোর মধ্যে এটি হবে বিশ্বের সবচেয়ে গভীর।

    সিএনএনের তথ্যমতে, প্রকৌশলীরা সুড়ঙ্গটির দুই প্রান্ত থেকে একসঙ্গে খননকাজ শুরু করেছেন। লক্ষ্য হলো, সমুদ্রের নিচে দুই দিকের খনন অংশকে ৫ সেন্টিমিটারের কম ত্রুটিসীমার মধ্যে মিলিয়ে দেওয়া। এতে কাজের অপচয় কমবে এবং ব্যয়বহুল সংশোধনের প্রয়োজন পড়বে না। সমুদ্রের গভীরে কাজ করতে গিয়ে পানির চাপ ও শিলার ফাটল বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিলার ফাটল দিয়ে যাতে লবণাক্ত পানি সুড়ঙ্গের ভেতরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

    রগফাস্টের উত্তর অংশের নির্মাণকাজ করছে সুইডিশ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান স্কানস্কা। প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প ব্যবস্থাপক অ্যান ব্রিট মোয়েন সিএনএনকে জানান, খননের সময় ইতোমধ্যে পানি ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে গ্রাউটিং পদ্ধতি আরও উন্নত করা হচ্ছে। উত্তর অংশটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৯ কিলোমিটার। এখানেই সুড়ঙ্গের সবচেয়ে গভীর অংশগুলো রয়েছে। যত গভীরে কাজ এগোচ্ছে, তত বেশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

    নকশা অনুযায়ী, রগফাস্ট হবে দুটি আলাদা টিউবের সমন্বয়ে গঠিত। প্রতিটি টিউবে দুই লেনে যান চলাচল করবে। সুড়ঙ্গের মাঝামাঝি অংশে চালকেরা দিক পরিবর্তন করতে পারবেন বা সংযোগ সুড়ঙ্গে প্রবেশ করতে পারবেন। এই ভূগর্ভস্থ সংযোগস্থলটি সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ২৬০ মিটার নিচে অবস্থিত।

    এই সংযোগস্থল থেকে একটি শাখা সুড়ঙ্গ যাবে নরওয়ের সবচেয়ে ছোট পৌরসভা কভিৎসোয় দ্বীপের দিকে। সুড়ঙ্গের ভেতরে বায়ুর মান ঠিক রাখতে উন্নত বায়ুপ্রবাহ ব্যবস্থা যুক্ত করা হচ্ছে। সিএনএন জানিয়েছে, দুর্ঘটনা শনাক্ত ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা, ক্যামেরা ও রাডার ব্যবহার করা হবে।

    রগফাস্ট প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। অতিরিক্ত ব্যয়ের আশঙ্কায় ২০১৯ সালে কাজ স্থগিত করা হয়। পুনর্মূল্যায়নের পর ২০২১ সালে নির্মাণকাজ আবার শুরু হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩৩ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। এই সড়কসুড়ঙ্গ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি নরওয়েজীয় ক্রোনার। মার্কিন মুদ্রায় যা প্রায় ২৪০ কোটি ডলারের সমান।

    প্রকল্পটি শেষ হলে ফেরি পারাপার–নির্ভর কিছু কর্মসংস্থান কমে যেতে পারে। তবে উন্নত সড়ক যোগাযোগ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোয়েন বলেন, উন্নত সড়কব্যবস্থা শিক্ষা, জনসেবা ও বিভিন্ন শিল্পকে সহায়তা করবে।

    যাতায়াত ব্যয় কমে যাওয়ায় সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াজাতকরণসহ নানা শিল্প খাত উপকৃত হবে। তবে এই পরিবর্তনের প্রভাব রাতারাতি বোঝা যাবে না। ধীরে ধীরে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আসবে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ৩৯ গ্রামে ইসরায়েলি হামলা

    এপ্রিল 20, 2026
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: কেন মিশর কোনো পক্ষ নিতে পারে না?

    এপ্রিল 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়, শান্তির পথে ফেরার আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

    এপ্রিল 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.