Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » শতাব্দীজুড়ে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন লালসা ও ব্যর্থতা
    আন্তর্জাতিক

    শতাব্দীজুড়ে গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন লালসা ও ব্যর্থতা

    হাসিব উজ জামানজানুয়ারি 22, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বরফের আড়ালে লুকানো এই বিশাল দ্বীপটি একসময় মার্কিন নেতাদের অদম্য আকাঙ্ক্ষা ও কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে নিজের ভূখণ্ডে মেলানোর স্বপ্ন দেখেছে—কিন্তু বরফ ও কূটনীতি সেই স্বপ্নকে থামিয়ে দিয়েছে। আলাসকা ক্রয়ের সাহস, দুই বিশ্বযুদ্ধের কৌশল এবং শীতল যুদ্ধের প্রতিরক্ষা—সবকিছুর মাঝেও গ্রিনল্যান্ড থেকে মুক্তি পায়নি মার্কিন স্বপ্ন।

    আমেরিকার ইতিহাসে এমন কিছু অধ্যায় আছে যা শুনলেই মনে হয়, এটি যেন এক রোমাঞ্চকর উপন্যাসের অংশ। একের পর এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ করার স্বপ্ন দেখেছেন। এই দ্বীপটি শুধু বরফের আড়ালে লুকানো নয়, বরং ছিল কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    ১৯৫৫ সালে একটি মার্কিন এয়ার ফোর্স হেলিকপ্টার গ্রিনল্যান্ডের থিউলে এয়ার বেসে পৌঁছায়।

    ১৮৬৮: সীওয়ার্ডের উত্তরের দৃষ্টি

    ১৮৬৮ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব উইলিয়াম সীওয়ার্ড গ্রিনল্যান্ডকে একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত করার পরিকল্পনা করেছিলেন। মাত্র এক বছর আগে, তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে আলাসকা $৭.২ মিলিয়নে কেনার আলোচনায় সফল হয়েছিলেন। সীওয়ার্ডের মতে, গ্রিনল্যান্ডের অগণিত প্রাকৃতিক সম্পদ—বিশেষ করে কয়লা, তিমির তেল এবং ক্রায়োলাইট—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে “বিশ্বের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে” সক্ষম করবে।

    তবে আলাসকা ক্রয়ের সময় সংবাদপত্রে সেটিকে “সীওয়ার্ডের বোকামি” বা “সীওয়ার্ডের আইস বক্স” বলে আখ্যায়িত করায়, জনমত আর নতুন বরফময় অঞ্চলের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি। ফলে গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা বাতিল হয়ে যায়।

    ১৯১০: তিন-পক্ষীয় ভূ-পরিবর্তনের প্রস্তাব

    ২০শ শতাব্দীর শুরুতে আরও একবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ করার চেষ্টা হয়। এই পরিকল্পনা ছিল একটি জটিল তিন-পক্ষীয় ল্যান্ড সোয়াপের মাধ্যমে। ডেনমার্ক, যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির মধ্যে এটি সাজানো হয়েছিল। সংক্ষেপে পরিকল্পনা অনুযায়ী:

    • ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রকে দেয়।
    • যুক্তরাষ্ট্র ডেনমার্ককে ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জের কিছু অংশ দেয়।
    • ডেনমার্ক ওই দ্বীপপুঞ্জ জার্মানিকে দেয়।
    • জার্মানি শ্লেসউইগ-হলস্টেইন অঞ্চল ডেনমার্ককে ফিরিয়ে দেয়।

    যদিও এটি “দুঃসাহসী প্রস্তাব” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে এই ধারণা পরবর্তীতে ১৯১৭ সালে ডেনমার্কের কাছ থেকে ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ কেনার পথ প্রস্তুত করেছিল।

    ১৯৪৬: $১০০ মিলিয়ন স্বর্ণে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র সবচেয়ে কাছাকাছি আসেন গ্রিনল্যান্ডকে কিনে নেওয়ার। যুদ্ধকালে ১০,০০০ এর বেশি মিত্রবাহিনী বিমান গ্রিনল্যান্ডে হেলিকপ্টার ও জ্বালানি স্থাপনার জন্য অবতরণ করেছিল। তখন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডকে “বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থির বিমানবন্দর” হিসেবে বিবেচনা করেছিল।

    যুদ্ধ চলাকালীন, জার্মানি ডেনমার্ক দখল করে। ডেনমার্ক এখনো গ্রিনল্যান্ডের শাসনভার রাখছিল। সুতরাং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শঙ্কা ছিল—জার্মানি যদি গ্রিনল্যান্ড দখল করে, তাহলে তারা উত্তর আমেরিকার কাছে একটি কৌশলগত ঘাঁটি পেয়ে যাবে। ১৯৪১ সালে “ডিফেন্স অফ গ্রিনল্যান্ড” চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা মার্কিন সেনাবাহিনীকে গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো প্রয়োজনীয় সুবিধা তৈরি করার অধিকার দেয়।

    পরবর্তীতে ১৯৪৬ সালে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম ট্রিম্বল ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ডের জন্য $১০০ মিলিয়ন স্বর্ণ দেওয়ার প্রস্তাব দেন। ডেনমার্ক চরমভাবে বিস্মিত হয়। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুসটাভ রাসমুসেন বলেছিলেন, “আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনেক কিছু ঋণী, তবে পুরো দ্বীপ ঋণী নই।”

    শীতল যুদ্ধ: কৌশলগত গুরুত্ব বৃদ্ধি

    শীতল যুদ্ধের সময়, গ্রিনল্যান্ড ইউএসএ এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। থুলে বিমান ঘাঁটি (১৯৫১–৫৩) নির্মাণ করা হয়, যা প্যানামা খালুর সমান জটিলতা সম্পন্ন বলে মনে করা হয়। শীর্ষ সময়ে এই ঘাঁটিতে ১০,০০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল।

    মার্কিন সেনারা এমনকি গ্রিনল্যান্ডের বরফের নিচে সামরিক ঘাঁটি তৈরির পরীক্ষা চালায়। ক্যাম্প সেঞ্চুরি ছিল বরফের নিচে একটি ছোট শহর, যেখানে ছিল বোলিং এলি, ধর্মীয় চ্যাপেল, লাইব্রেরি ও খাবারের হল। এটি আরও বড় প্রকল্প “প্রজেক্ট আর্থওয়ার্ম”-এর একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ ছিল।

    যদিও প্রজেক্ট আর্থওয়ার্ম সম্পন্ন হয়নি, ১৯৫৫ পর্যন্ত পেন্টাগন এখনও গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রতি আগ্রহী ছিল।

    আধুনিক সময়ে গ্রিনল্যান্ড

    ডেনমার্ক ১৯৭৯ সালে গ্রিনল্যান্ডকে “হোম রুল” দিয়েছে। অর্থাৎ, গ্রিনল্যান্ড এখন স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়, তবে প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক নীতিতে ডেনমার্ক এখনো যুক্ত থাকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি এখনও রয়ে গেছে। ২০২০ সালে থুলে বিমান ঘাঁটি মার্কিন স্পেস ফোর্সের কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে এবং এখন এটি “পিটুফিক স্পেস বেস” নামে পরিচিত।

    গ্রিনল্যান্ড—যা একসময় মার্কিন স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু ছিল—আজও কৌশলগত ও ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণে গুরুত্বপূর্ণ। বরফের নিচে লুকানো সেই ইতিহাস এখনো অনেক কিছু বলার মতো।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ৩৯ গ্রামে ইসরায়েলি হামলা

    এপ্রিল 20, 2026
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: কেন মিশর কোনো পক্ষ নিতে পারে না?

    এপ্রিল 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়, শান্তির পথে ফেরার আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

    এপ্রিল 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.