Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, এপ্রিল 21, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ইউরোপায় প্রাণের সম্ভাবনায় নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
    আন্তর্জাতিক

    ইউরোপায় প্রাণের সম্ভাবনায় নতুন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

    এফ. আর. ইমরানজানুয়ারি 26, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    ছবি: সংগৃহীত
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বৃহস্পতির বরফে আচ্ছাদিত উপগ্রহ ইউরোপার তলদেশে লুকিয়ে থাকা বিশাল মহাসমুদ্রে প্রাণের অস্তিত্ব বজায় রাখার উপযোগী রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে, ইউরোপার পৃষ্ঠে তৈরি হওয়া জীবনদায়ী অক্সিডেন্ট ধীরে ধীরে বরফের স্তর ভেদ করে নিচের মহাসাগরে পৌঁছাতে পারে।

    বৃহস্পতির বহু উপগ্রহের মধ্যে ইউরোপাকে দীর্ঘদিন ধরেই ভিনগ্রহে প্রাণ অনুসন্ধানের অন্যতম সম্ভাবনাময় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। গবেষকদের মতে, এর ফাটলধরা বরফের স্তরের নিচে একটি সুবিশাল লবণাক্ত মহাসাগর রয়েছে, যেখানে পৃথিবীর সব মহাসাগরের সম্মিলিত পানির পরিমাণের চেয়েও বেশি পানি থাকতে পারে।

    তবে ইউরোপার সমুদ্র সূর্যালোক ও অক্সিজেন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। ফলে সেখানে পৃথিবীর মতো সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে শক্তি উৎপাদনের সুযোগ নেই। এমন পরিবেশে প্রাণ টিকে থাকতে হলে রাসায়নিক শক্তির ওপর নির্ভর করতে হয়। এতদিন বিজ্ঞানীদের প্রধান প্রশ্ন ছিল—বৃহস্পতির প্রবল বিকিরণের ফলে ইউরোপার পৃষ্ঠে তৈরি হওয়া অক্সিডেন্ট কীভাবে পুরু বরফের স্তর অতিক্রম করে নিচের মহাসাগরে পৌঁছায়।

    ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকদের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, ইউরোপার ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াই এর ব্যাখ্যা দিতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইউরোপার পৃষ্ঠতলের কিছু বরফ ধীরে ধীরে নিচের দিকে তলিয়ে যায়। অত্যন্ত ধীর হলেও এই ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উপরিভাগের রাসায়নিক উপাদানগুলো বরফের স্তর ভেদ করে মহাসাগরে পৌঁছাতে পারে।

    গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক ও বর্তমানে ভার্জিনিয়া টেকের পোস্টডক্টরাল গবেষক অস্টিন গ্রিন বলেন, গ্রহবিজ্ঞানে এটি একটি নতুন ধারণা, যা পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক গবেষণার একটি সুপ্রতিষ্ঠিত তত্ত্ব থেকে অনুপ্রাণিত। তাঁর মতে, এই ব্যাখ্যা ইউরোপার মহাসাগরে প্রাণের বসবাসের সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি বড় প্রশ্নের সমাধান দিচ্ছে।

    বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই জানতেন, বৃহস্পতির প্রবল মহাকর্ষীয় টানের কারণে ইউরোপার পৃষ্ঠ অত্যন্ত সক্রিয়। তবে নতুন গবেষণা অনুযায়ী, এই ভূতাত্ত্বিক চলন মূলত অনুভূমিকভাবে ঘটে, উলম্বভাবে নয়। ফলে বড় ধরনের ফাটল ছাড়া উপরিভাগের উপাদানগুলোর নিচে নামার সুযোগ সীমিত ছিল।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, ইউরোপার পৃষ্ঠের কাছাকাছি বরফ সাধারণত একটি শক্ত ও অনমনীয় ঢাকনার মতো আচরণ করে। এতে করে উপরিভাগের অক্সিডেন্ট নিচের মহাসাগরে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। তবে কম্পিউটার মডেলের মাধ্যমে দেখা গেছে, লবণাক্ত বরফের কিছু অংশ আশপাশের বিশুদ্ধ বরফের তুলনায় ঘন এবং কাঠামোগতভাবে দুর্বল হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে এসব অংশ মূল বরফস্তর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধীরে ধীরে নিচে নামতে শুরু করে।

    গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক উপাদানগুলো বরফ ভেদ করে মহাসাগরে পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৩০ হাজার বছর, যা মহাজাগতিক সময়ের বিচারে খুবই কম। এই প্রক্রিয়াকে ‘লিথোস্ফিয়ারিক ফাউন্ডিং’ বলা হয়, যা পৃথিবীতে ভূত্বকের কিছু অংশ ম্যান্টলে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গে তুলনীয়। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সিয়েরা নেভাদা পর্বতমালার নিচে এ ধরনের প্রক্রিয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়।

    গবেষণায় ইউরোপার প্রায় ৩০ কিলোমিটার পুরু বরফের স্তর নিয়ে ছয়টি ভিন্ন পরিস্থিতিতে সিমুলেশন চালানো হয়। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, উপরিভাগের অন্তত ৩০০ মিটার গভীরের উপাদান বরফের একেবারে তলদেশে পৌঁছাতে সক্ষম হচ্ছে। দুর্বল অঞ্চলে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুত শুরু হতে পারে বলে গবেষকেরা উল্লেখ করেছেন।

    বিজ্ঞানীদের মতে, এই প্রক্রিয়া ইউরোপার পৃষ্ঠ থেকে মহাসাগরে জীবনদায়ী রাসায়নিক উপাদান পৌঁছে দেওয়ার একটি দ্রুত ও কার্যকর পথ হতে পারে।

    আগামী বছরগুলোতে নাসার ‘ইউরোপা ক্লিপার’ মিশনের মাধ্যমে এই উপগ্রহ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। ২০২৪ সালে উৎক্ষেপণ করা মহাকাশযানটি ২০৩০ সালের এপ্রিলে বৃহস্পতির কক্ষপথে পৌঁছাবে। চার বছর মেয়াদি এই মিশনে ইউরোপার খুব কাছ দিয়ে প্রায় ৫০ বার উড়ে গিয়ে এর বরফের নিচের মহাসাগরের গভীরতা ও প্রাণের উপযোগিতা আরো নির্ভুলভাবে যাচাই করা হবে।

    ২০ জানুয়ারি বিজ্ঞান সাময়িকী দ্য প্ল্যানেটারি সায়েন্স জার্নাল-এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে ৩৯ গ্রামে ইসরায়েলি হামলা

    এপ্রিল 20, 2026
    মতামত

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ: কেন মিশর কোনো পক্ষ নিতে পারে না?

    এপ্রিল 20, 2026
    আন্তর্জাতিক

    যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়, শান্তির পথে ফেরার আহ্বান ইরানের প্রেসিডেন্টের

    এপ্রিল 20, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ক্রেতারা ভারত-চীন ছাড়ছে, বাংলাদেশ পাচ্ছে অর্ডার

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025

    সব ব্যবসায়ী ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপী নয়

    মতামত জানুয়ারি 13, 2025

    বরিশালের উন্নয়ন বঞ্চনা: শিল্প, যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও পর্যটন খাতে নেই অগ্রগতি

    মতামত এপ্রিল 22, 2025

    টেকসই বিনিয়োগে শীর্ষে থাকতে চায় পূবালী ব্যাংক

    অর্থনীতি আগস্ট 15, 2025
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsAppp

    01339-517418

    Copyright © 2025 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.