Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice মঙ্গল, আগস্ট 25, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, লাগামহীন ঋণগ্রহণে বাড়ছে উদ্বেগ
    বিশ্ব অর্থনীতি

    ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ, লাগামহীন ঋণগ্রহণে বাড়ছে উদ্বেগ

    নিউজ ডেস্কআগস্ট 20, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    জাতীয় ঋণ এইমাত্র ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এর অর্থ আপনার এবং আপনার অর্থের জন্য কী? ছবি: মার্কেটওয়াচ ফটো ইলাস্ট্রেশন
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। কয়েক দশক ধরে সামরিক ব্যয়, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ক্রমবর্ধমান খরচ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর কমানোর ব্যয় মেটাতে ধার করে আসার ফলে দেশটির আর্থিক ভিত্তি এখন নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

    স্থানীয় সময় বুধবার ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের এই মাইলফলকে পৌঁছানোকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য অশুভ সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    শুধু চলতি বছরেই যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দায় মেটাতে দুই ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ নেওয়ার পথে রয়েছে। এর মধ্যে ইরানের যুদ্ধের ব্যয় এবং ২০২৫ সালে রিপাবলিকানরা পাস করা ব্যাপক কর কমানোর ব্যয়ও রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ যারা কিনেছে, তাদের সুদ পরিশোধের ব্যয় দ্রুত বেড়ে এখন মোট বাজেট ঘাটতির প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র আরও গভীর আর্থিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    ঋণের এই ক্রমবর্ধমান বোঝা সমাধানের জন্য কোনো সমস্যা নাকি এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তিরই এক ধরনের বহিঃপ্রকাশ, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ঘাটতি রাজনৈতিক চালবাজিরও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। রিপাবলিকানরা ক্ষমতায় না থাকলে ঘাটতি কমানোর বিষয়ে তারাই সবচেয়ে বেশি সোচ্চার হয়।

    কম্পোজিট নির্দেশক বা ঋণ কমানোর সমর্থক ‘কমিটি ফর এ রেসপন্সিবল ফেডারেল বাজেট’-এর সিনিয়র পলিসি ডিরেক্টর মার্ক গোল্ডউইন ঋণের সুদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এর সবচেয়ে ভীতিকর বিষয় হলো আমরা কীভাবে ঋণের দুষ্টচক্র শুরু হতে দেখতে পাচ্ছি।’

    আইনপ্রণেতারা ঋণের বিষয়টি মোকাবিলা করতে না পারায় দীর্ঘমেয়াদে নানা ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখনো বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হলেও দেশটির ক্রমবর্ধমান ঋণের বোঝার কারণে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন সরকারি ঋণপত্রের জন্য আরও বেশি সুদ দাবি করতে পারেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। এর ফলে বিশ্বের রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলারের ওপর আস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝার জন্য রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলই দায়ী। স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি, অর্থনৈতিক প্রণোদনা, দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা এবং সরকারের দৈনন্দিন কার্যক্রমের ব্যয় মেটাতে যুক্তরাষ্ট্রকে ক্রমবর্ধমান পরিমাণে ঋণ বিক্রি করতে হয়েছে।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে তার অনেক নীতিই যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক দুরবস্থা আরও বাড়িয়েছে।

    ২০১৬ সালে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, নতুন বাণিজ্য চুক্তি করা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে তিনি আট বছরের মধ্যে জাতীয় ঋণ পুরোপুরি দূর করবেন। এরপর থেকে জাতীয় ঋণ দ্বিগুণ হয়েছে।

    তার দ্বিতীয় মেয়াদে ব্যয় কমানো ও রাজস্ব বাড়ানোর জন্য ট্রাম্পের নেওয়া সবচেয়ে বড় উদ্যোগগুলোও বাস্তব রূপ পেতে ব্যর্থ হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে ইলোন মাস্কের নেতৃত্বে গঠিত সরকারি দক্ষতা বিভাগ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি সরকারি ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ পর্যন্ত বিভাগটি মাত্র ২০০ বিলিয়ন ডলারেরও কিছু বেশি সঞ্চয় করেছে বলে দাবি করেছে। তবে গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিস এই মাসে জানিয়েছে, বিভাগটির আনুমানিক হিসাবের মধ্যে নির্ভরযোগ্যতা ও স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।

    আমদানির ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের মাধ্যমে অতিরিক্ত সরকারি রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসন কিছুটা অগ্রগতি করছিল। কিন্তু চলতি বছর সর্বোচ্চ আদালত ওই শুল্কগুলোর কিছু অংশকে অবৈধ ঘোষণা করায় সেই পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে আমদানি শুল্ক পরিশোধকারী কোম্পানিগুলোকে ফেডারেল সরকারকে ১৬০ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ ফেরত দিতে হচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ২০২৮ সালের মধ্যে বাজেট ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার সময় এই ঘাটতি ছিল ৬ শতাংশের বেশি। তবে গত সপ্তাহে বেসেন্ট স্বীকার করেছেন, চলতি বছর ঘাটতির পরিস্থিতি ভুল দিকে এগোচ্ছে।

    এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট ঘাটতি বাড়ার পেছনে কয়েকটি কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে সামরিক খাতে দেশটিকে আরও বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। একই সঙ্গে শুল্কের অর্থ ফেরত দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালে জিডিপির অনুপাতে ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে।

    ইরানের যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দামও বেড়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যে অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের আশা করেছিলেন, যার মাধ্যমে কর রাজস্ব বাড়তে পারত, সেটিও কমে গেছে।

    বেসেন্ট আরও বলেন, গত বছরের কর কমানোর সিদ্ধান্তও ঘাটতি বাড়াচ্ছে। কারণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমন একটি বিধানের সুবিধা নিচ্ছে, যার আওতায় তারা কারখানা নির্মাণ ও সরঞ্জাম কেনার খরচ তাৎক্ষণিকভাবে করযোগ্য আয় থেকে বাদ দিতে পারছে।

    যৌথ কর কমিটির হিসাব অনুযায়ী, এসব পদক্ষেপের কারণে চলতি বছর সরকারের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে। তবে অর্থমন্ত্রী বলেন, শুরুতে এসব কর কমানোর কারণে সরকারের রাজস্ব কমলেও ভবিষ্যতে অতিরিক্ত রাজস্বের মাধ্যমে এর সুফল পাওয়া যাবে।

    বেসেন্ট বলেন, ‘এটি এখন বাজেট ঘাটতির ওপর চাপ তৈরি করছে। কিন্তু আমরা ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য উৎপাদনশীল সম্পদ তৈরি করছি, যেগুলো পরবর্তী সময়ে কর দেবে। আমি এটিকে অনেকটা এমনভাবে দেখি যে, আমরা একটি গুলতির রাবার পেছনে টেনে ধরছি এবং বিপুল সম্ভাবনাময় শক্তি তৈরি করছি, যা পরে গতিশক্তিতে পরিণত হবে।’

    আর্থিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল হবে—এ বিষয়ে বেসেন্ট আত্মবিশ্বাসী হলেও মার্কিন বাজেট ঘাটতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ইতোমধ্যে বাজারে দেখা যাচ্ছে। তারা মার্কিন সরকারি ঋণপত্র ধরে রাখার জন্য বেশি মুনাফা দাবি করছেন।

    চলতি সপ্তাহে ৩০ বছর মেয়াদি মার্কিন সরকারি ঋণপত্রের সুদের হার প্রায় দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর অর্থ হলো মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা ভোক্তা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণের খরচ আরও বেড়ে যাচ্ছে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরেও কিছুটা উদ্বেগের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এর একটি উদাহরণ হলো, বেসেন্ট দুর্বল হওয়া জাপানি ইয়েনকে চাঙা করতে মুদ্রা বাজারে এক বিরল হস্তক্ষেপ করেছিলেন।

    এই পদক্ষেপের একটি উদ্দেশ্য ছিল জাপান যাতে নিজস্ব মুদ্রার মূল্য ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণপত্রে থাকা তাদের বিনিয়োগ বিক্রি না করে, তা নিশ্চিত করা।

    এদিকে বুধবার বেসেন্ট বলেন, ঋণের খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নিজেদের সরকারি ঋণপত্র পুনরায় কেনার অনুমোদিত পরিমাণ দ্বিগুণ করবে।

    সরকারি ঋণপত্রের বাজারে লেনদেনকারীরা প্রায়ই যুক্তরাষ্ট্রের মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ নিয়ে উদ্বেগকে উপেক্ষা করে আসছেন। কারণ বিশ্বের আর কোনো বাজার যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণপত্রের বাজারের মতো এত গভীর, এত বেশি লেনদেনযোগ্য বা বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ নয়। অর্থাৎ এর প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী খুব কম। হঠাৎ করে বড় আকারে ক্রেতাদের নিরুৎসাহিত করতে হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে হবে।

    তবে এমন কিছু পরিবর্তন সামনে আসতে পারে, যা বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে রেখেছে। অনিশ্চয়তার একটি বড় উৎস হলো যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে এর হাতে ছয় দশমিক আট ট্রিলিয়ন ডলারের সরকারি ঋণপত্র ও বন্ধকভিত্তিক ঋণপত্র রয়েছে।

    মে মাসে দায়িত্ব নেওয়া কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চেয়ারম্যান কেভিন এম. ওয়ার্শ এসব সম্পদের পরিমাণ কমানোকে তার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে নিয়েছেন। অতীতের বিভিন্ন সংকটের সময় বাজারকে সহায়তা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক হস্তক্ষেপ করায় মূলত এসব সম্পদের পরিমাণ এত বেড়েছিল।

    ওয়ার্শ এখনো এ সম্পদের পরিমাণ কমানোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করেননি। তিনি সম্ভবত বছরের শেষ নাগাদ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ ও দায়ের হিসাব পর্যালোচনার জন্য গঠিত একটি বিশেষ টাস্কফোর্সের কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সম্পদ ও দায়ের কাঠামোয় পরিবর্তন—অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্রের তুলনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকা সম্পদের বড় অংশ যদি স্বল্পমেয়াদি ঋণপত্রে রাখা হয়—তাহলে বাজারে এর প্রভাব সামান্যই হতে পারে।

    তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে থাকা এসব সম্পদের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর কোনো উদ্যোগ, বিশেষ করে যদি সরাসরি এসব সম্পদ বিক্রির মাধ্যমে তা করা হয়, তাহলে বাজারে আরও বড় উদ্বেগ তৈরি হবে বলে লেনদেনকারীরা মনে করছেন।

    এদিকে সামরিক বাহিনীর ব্যয় এবং সামাজিক নিরাপত্তা, বয়স্কদের স্বাস্থ্যসেবা ও নিম্নআয়ের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার মতো কর্মসূচির অর্থায়নের খরচ ক্রমাগত বাড়ছে। অন্যদিকে নির্বাচনের মুখে থাকা আইনপ্রণেতারা ব্যয় কমানো বা কর বাড়ানোর বিষয়ে খুব বেশি কঠোর পদক্ষেপ নিতে চাইছেন না।

    দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে থাকা নীতিনির্ধারণবিষয়ক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মার্গারেট স্পেলিংস বলেন, ‘আমাদের ফেডারেল সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সরকার যত অর্থ আয় করে, তার চেয়ে অনেক বেশি ব্যয় হয়। আর ফেডারেল বাজেটের সবচেয়ে বড় ব্যয়ের খাতগুলো এমনভাবে চলছে, যেন সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়তেই থাকবে।’

    তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে আশাবাদী পরিস্থিতিতেও আমরা দ্রুত একটি খাদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, অথচ গাড়ির দিক ঘোরাতে চাচ্ছি না।’

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    ইমরান খানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ২১ সাবেক অধিনায়কের চিঠি

    আগস্ট 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী কিন্তু প্রযুক্তির দৌড়ে কি হারছে আমেরিকা?

    আগস্ট 24, 2026
    আন্তর্জাতিক

    বাড়ি দখলের শঙ্কায় ১০ হাজার কিলোমিটার দূর থেকে ছুটে এলেন যিনি

    আগস্ট 24, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.