সৌদি আরবের জেদ্দায় শুরু হয়েছে চার দিনের চতুর্থ সৌদি ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্স এক্সপো, যেখানে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের এগারোটি পোশাক ও ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান। জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর আর্থিক সহায়তা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতায় স্থাপন করা হয়েছে একটি বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন।
গত বৃহস্পতিবার এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন জেদ্দা চেম্বার অব কমার্সের একজন ভাইস চেয়ারম্যান। এরপর বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল এবং সৌদি ফেডারেশন অব চেম্বারের একজন সদস্য যৌথভাবে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশের বাণিজ্যিক মিশনের একজন মিনিস্টার, কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা, সৌদি ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক, এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্যাভিলিয়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশের বিভিন্ন পরিচিত নিটওয়্যার, অ্যাপারেলস ও গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান, যাদের মধ্যে কয়েকটি নারীদের পোশাক ও ফ্যাশন-বিষয়ক ব্র্যান্ডও রয়েছে। এর পাশাপাশি রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উদ্যোগে একটি আলাদা বুথে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, উৎপাদন সক্ষমতা এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্য সম্পর্কে তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে।
আয়োজক প্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, এই এক্সপোতে সাড়ে পাঁচশর বেশি বুথ রয়েছে এবং বিশ্বের পঁচিশটির বেশি দেশ থেকে প্রায় দশ হাজার ব্যবসায়িক প্রতিনিধি ও ক্রেতার অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এই আয়োজনের মাধ্যমে সৌদি আরব এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের নতুন ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। প্রদর্শনীটি চলবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের এই ধরনের সরাসরি উপস্থিতি দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষত এমন এক সময়ে যখন পশ্চিমা বাজারে প্রতিযোগিতা ও অনিশ্চয়তা দুটোই বাড়ছে।

