Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, জুলাই 16, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এআইয়ের দুনিয়ায় আপনার দক্ষতা কতটা প্রস্তুত?
    মতামত

    এআইয়ের দুনিয়ায় আপনার দক্ষতা কতটা প্রস্তুত?

    নিউজ ডেস্কজুলাই 15, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    প্রযুক্তির প্রতিটি বড় পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের মনে একটি প্রশ্ন বারবার ফিরে এসেছে—নতুন প্রযুক্তি কি মানুষের কাজ কেড়ে নেবে? ইতিহাস বলছে, এই উদ্বেগ নতুন নয়। আঠারো শতকের শিল্পবিপ্লবের সময় যন্ত্রচালিত তাঁতের ব্যবহার শুরু হলে ব্রিটেনের বহু শ্রমিক মনে করেছিলেন, তাঁদের কর্মসংস্থান শেষ হয়ে যাবে। পরে কম্পিউটারের বিস্তার এবং ইন্টারনেটের প্রসারের সময়ও একই ধরনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল।

    তবে অতীতের অভিজ্ঞতা ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। প্রযুক্তি অনেক পুরোনো কাজের ধরন বদলে দিয়েছে, কিন্তু একই সঙ্গে নতুন শিল্প, নতুন দক্ষতা এবং নতুন কর্মসংস্থানেরও জন্ম দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সেই ধারাবাহিকতার সর্বশেষ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী উদ্ভাবন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    তবে এআইকে ঘিরে উদ্বেগ আগের যেকোনো প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের তুলনায় বেশি। কারণ এটি কেবল যান্ত্রিক বা শারীরিক কাজ নয়, বিশ্লেষণ, লেখালেখি, অনুবাদ, নকশা তৈরি, প্রোগ্রামিং এবং কিছু ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো বুদ্ধিবৃত্তিক কাজও সম্পাদন করতে পারে। ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে—এআই কি মানুষের কর্মসংস্থান কমিয়ে দেবে, নাকি নতুন ধরনের পেশার সুযোগ সৃষ্টি করবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবতা এই দুই সম্ভাবনার সমন্বয়। কিছু প্রচলিত কাজের চাহিদা কমে যেতে পারে, আবার একই সঙ্গে নতুন দক্ষতাভিত্তিক অসংখ্য পেশারও সৃষ্টি হবে।

    বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের Future of Jobs Report 2025 অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯২ মিলিয়ন বিদ্যমান চাকরি বিলুপ্ত হতে পারে বা নতুন রূপ নিতে পারে। একই সময়ে নতুন করে প্রায় ১৭০ মিলিয়ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে নিট হিসাবে প্রায় ৭৮ মিলিয়ন নতুন চাকরি যুক্ত হতে পারে বৈশ্বিক শ্রমবাজারে। প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মূল চ্যালেঞ্জ চাকরি হারানো নয়; বরং পরিবর্তিত বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মীদের দক্ষ করে তোলা।

    বাংলাদেশের জন্যও এআই বড় ধরনের সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাষা বাংলা হওয়ায় বাংলা ভাষাভিত্তিক উন্নত এআই মডেল, ভয়েস প্রযুক্তি, অনুবাদ ব্যবস্থা, শিক্ষা সফটওয়্যার, কৃষি এবং স্বাস্থ্যসেবার ডিজিটাল সমাধান তৈরির বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি এআইভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ায়, তাহলে বাংলাদেশ কেবল বিদেশি প্রযুক্তির ব্যবহারকারী নয়, নিজস্ব প্রযুক্তি উদ্ভাবনকারী দেশ হিসেবেও বৈশ্বিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারে।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)ও এআই-নির্ভর কর্মবাজারের পরিবর্তন নিয়ে সতর্ক করেছে। সংস্থাটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪০ শতাংশ চাকরি কোনো না কোনোভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাবে বদলে যাবে। উন্নত অর্থনীতিগুলোতে এই প্রভাব আরও বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে আইএমএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা মনে করেন, এআইকে কেবল চাকরি হারানোর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে পুরো বাস্তবতা ধরা পড়ে না। তাঁর মতে, অনেক ক্ষেত্রে প্রযুক্তি মানুষের বিকল্প হবে না; বরং কর্মীদের উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়িয়ে তুলবে। যারা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারবেন, ভবিষ্যতের কর্মবাজারে তাদের চাহিদা আরও বাড়বে।

    একই ধরনের মূল্যায়ন দিয়েছে বৈশ্বিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ম্যাককিনসি। তাদের গবেষণায় বলা হয়েছে, আগামী দশকে বিপুলসংখ্যক কর্মীকে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। কারণ একই পেশায় থেকেও কাজের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর সক্ষমতা ভবিষ্যতের অন্যতম প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

    এই পরিবর্তনের বাইরে নয় বাংলাদেশও। দেশের অন্যতম বড় শক্তি হলো বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী। তবে এই জনসংখ্যাগত সুবিধাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপ দিতে হলে তাদের এমন দক্ষতায় গড়ে তুলতে হবে, যা প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। অন্যথায় এই একই জনশক্তি বেকারত্ব এবং সামাজিক চাপ বৃদ্ধির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

    শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান চিত্রও নতুন বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এখনও মুখস্থভিত্তিক শিক্ষা এবং পরীক্ষাকেন্দ্রিক মূল্যায়নের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। অথচ এআই-নির্ভর যুগে তথ্য মুখস্থ রাখার চেয়ে বিশ্লেষণী চিন্তা, সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা, দলগতভাবে কাজ করার দক্ষতা এবং কার্যকর যোগাযোগই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অল্প সময়ে বিপুল তথ্য দিতে পারলেও কোন তথ্য নির্ভরযোগ্য, কোনটি প্রাসঙ্গিক এবং কোন সিদ্ধান্ত মানবিক—সেই মূল্যায়নের দায়িত্ব মানুষেরই।

    বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প, ব্যাংকিং, বীমা, টেলিযোগাযোগ, গণমাধ্যম, সফটওয়্যার, হিসাবরক্ষণ, গ্রাহকসেবা এবং সরকারি প্রশাসন—প্রায় সব খাতেই এআইয়ের প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে পুনরাবৃত্তিমূলক ও নিয়মভিত্তিক অনেক কাজ ধীরে ধীরে স্বয়ংক্রিয় হয়ে যেতে পারে। ফলে কল সেন্টার পরিচালনা, ডেটা এন্ট্রি, প্রাথমিক হিসাবরক্ষণ, সাধারণ অনুবাদ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের চাহিদা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তবে এর অর্থ কর্মসংস্থানের অবসান নয়। বরং প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এমন অনেক নতুন পেশা তৈরি হচ্ছে, যেগুলোর অনেকগুলো কয়েক বছর আগেও পরিচিত ছিল না। এআই প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার, মেশিন লার্নিং বিশেষজ্ঞ, ডেটা অ্যানোটেশন বিশেষজ্ঞ, সাইবার নিরাপত্তা বিশ্লেষক, এআই নৈতিকতা বিশেষজ্ঞ, ডিজিটাল ফরেনসিক গবেষক, অটোমেশন পরামর্শক এবং মানব-এআই সমন্বয় ব্যবস্থাপকের মতো পেশার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, শিক্ষা, পরিবহন ও উৎপাদনশিল্পে এআইভিত্তিক নতুন ব্যবসা ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগও প্রসারিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সম্ভাবনাময় একটি ক্ষেত্র হলো বাংলা ভাষাভিত্তিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। বর্তমানে অধিকাংশ এআই প্রযুক্তি ইংরেজিকেন্দ্রিক হলেও বাংলা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভাষা। ফলে বাংলা ভাষার উপযোগী উন্নত এআই মডেল, ভয়েস প্রযুক্তি, অনুবাদ ব্যবস্থা, শিক্ষা সফটওয়্যার এবং কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবার ডিজিটাল সমাধান তৈরির বড় বাজার রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারলে বাংলাদেশ প্রযুক্তির ব্যবহারকারী দেশের পাশাপাশি উদ্ভাবক দেশ হিসেবেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পারবে।

    ফ্রিল্যান্সিং খাতেও এআই নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের লক্ষাধিক তরুণ আন্তর্জাতিক ডিজিটাল বাজারে কাজ করছেন। তারা যদি এআইকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং সহায়ক প্রযুক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে পারেন, তাহলে তাদের উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। গ্রাফিক ডিজাইনার দ্রুত ধারণা তৈরি করতে পারবেন, সফটওয়্যার ডেভেলপার স্বল্প সময়ে কোড লিখতে পারবেন, গবেষক তথ্য বিশ্লেষণে গতি আনতে পারবেন এবং সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহের সময় কমিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন।

    তবে সম্ভাবনার পাশাপাশি নতুন ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে ভুয়া ছবি, কণ্ঠস্বর ও ভিডিও তৈরি করে ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার বাড়ছে, যা নির্বাচন, আর্থিক লেনদেন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ হতে পারে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, কপিরাইট সুরক্ষা, অ্যালগরিদমিক বৈষম্য এবং সাইবার অপরাধের ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই এআই প্রযুক্তির বিস্তারের পাশাপাশি কার্যকর আইন, নৈতিক নীতিমালা এবং ডিজিটাল সচেতনতা নিশ্চিত করাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় সরকারের জন্যও একটি সুস্পষ্ট ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রণয়ন জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় এআই নীতির কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো, প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে সহায়তা, সরকারি সেবায় দায়িত্বশীলভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এবং কর্মজীবী মানুষের দক্ষতা হালনাগাদের জন্য বৃহৎ পরিসরের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশ্বের অনেক দেশ ইতোমধ্যে ‘রিস্কিলিং’ ও ‘আপস্কিলিং’ কর্মসূচিকে জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ যদি এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে না পারে, তাহলে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্র থাকলেও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

    তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে হবে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে। এখনও অনেকেই এআইকে এমন একটি প্রযুক্তি হিসেবে দেখেন, যা মানুষের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেবে। বাস্তবে ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা হবে প্রযুক্তি বনাম মানুষ নয়; বরং যারা এআই দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারবেন এবং যারা পারবেন না—তাদের মধ্যে। তাই প্রযুক্তিকে এড়িয়ে নয়, বরং দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগানোর সক্ষমতাই ভবিষ্যতের সাফল্যের অন্যতম শর্ত হয়ে উঠবে।

    বাংলা সাহিত্যেও নতুন ও পুরোনোর সমন্বয়ের গুরুত্ব বারবার উঠে এসেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায়, ‘পুরাতনকে লইয়া নূতনের সৃষ্টি।’ এআইয়ের ক্ষেত্রেও সেই ভাবনাই প্রাসঙ্গিক। বিদ্যমান দক্ষতাকে বাতিল না করে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করাই হবে সবচেয়ে কার্যকর পথ। একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক এআইয়ের সহায়তায় আরও ফলপ্রসূভাবে পাঠদান করতে পারেন। একইভাবে একজন চিকিৎসক আরও দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্রযুক্তির সহায়তা পেতে পারেন। সৃজনশীল লেখক, শিল্পী কিংবা গবেষকদের ক্ষেত্রেও এআই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে, তবে তাদের সৃষ্টিশীলতার বিকল্প হয়ে নয়।

    এ কারণেই এআই নিয়ে মূল প্রশ্নটি চাকরি হারানো নয়, বরং প্রস্তুতির। দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, অর্থনীতি এবং মানবসম্পদকে ভবিষ্যতের প্রযুক্তিনির্ভর কর্মবাজারের জন্য কতটা প্রস্তুত করা যাচ্ছে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তরুণ প্রজন্ম যদি সময়োপযোগী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পায়, তাহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশের জন্য নতুন শিল্প, নতুন উদ্যোক্তা, অধিক কর্মসংস্থান এবং উচ্চ আয়ের অর্থনীতি গড়ে তোলার ভিত্তি হতে পারে। অন্যদিকে, প্রস্তুতির ঘাটতি থাকলে একই প্রযুক্তি দক্ষতার সীমাবদ্ধতাকেই আরও স্পষ্ট করে তুলবে।

    ইতিহাস বলছে, কোনো প্রযুক্তিই নিজে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না; ভবিষ্যৎ গড়ে মানুষের সিদ্ধান্ত, সক্ষমতা এবং অভিযোজনের ক্ষমতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও তার ব্যতিক্রম নয়। এটি নিজে কারও কর্মসংস্থান কেড়ে নেয় না, আবার কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফলও করে না। এটি একটি শক্তিশালী প্রযুক্তিগত হাতিয়ার, যার সর্বোচ্চ সুফল পায় সেই সমাজ, যারা শেখাকে গুরুত্ব দেয়, পরিবর্তনকে গ্রহণ করে এবং দক্ষতা উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করে। বাংলাদেশের সামনেও সেই সুযোগ রয়েছে। এখন প্রশ্ন একটাই—আমরা কি এআইকে আশঙ্কার চোখে দেখব, নাকি ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে গ্রহণ করব?

     লেখক: ড. হারুন রশীদ: সাংবাদিক, কলামিস্ট

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    সম্পাদকীয়

    তারল্য সংকটে থমকে যাচ্ছে ব্যাংকিং কার্যক্রম

    জুলাই 15, 2026
    মতামত

    ডিসি-ইউএনও সাহেবদের এলআর ফান্ডের বিতর্ক: প্রশাসনিক পরিপত্র কি আইনের বিকল্প হতে পারে?

    জুলাই 15, 2026
    মতামত

    বন্যার পানি নেমে গেলেও থেকে যায় অর্থনীতির ক্ষত

    জুলাই 15, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram
    ‘হাম ব্যবস্থাপনায় সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ কি পর্যাপ্ত ছিল, আপনি কি মনে করেন?

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.