Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice বৃহস্পতি, সেপ্টে. 17, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে? অস্ত্র বানাতে ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে বিপদ কতটা?
    মতামত

    এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে? অস্ত্র বানাতে ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে বিপদ কতটা?

    নিউজ ডেস্কসেপ্টেম্বর 17, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    এআই এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রশ্ন শুধু কত দ্রুত উন্নতি করা সম্ভব নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কত দ্রুত উন্নতি করা নিরাপদ?
    এআই এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রশ্ন শুধু কত দ্রুত উন্নতি করা সম্ভব নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কত দ্রুত উন্নতি করা নিরাপদ?
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতি–সংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও অসামঞ্জস্যতা চরমে পৌঁছেছে। এর পেছনে মূল কারণ, এআই এজেন্টদের নিজ নির্মাতাদের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা, শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা এবং এআই প্রস্তুতকারকদের নিজেদেরই ‘গতি কমানোর’ আকুতি।

    তবে এই নির্মাতারা আবার এটাও বলছেন যে চীন কাজ না থামালে তাঁরা থামতে পারবেন না আর চীন থামলেও তাঁদের থামা ঠিক হবে না; কারণ, এ ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকার সুবিধা অপরিসীম।

    অবশ্য একজন মার্কিন নীতিনির্ধারকের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘এআইয়ের জন্য একমাত্র যে “নিয়ন্ত্রণ” বা নীতিমালা প্রয়োজন, তা হলো একজন শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান (উচ্চ আইকিউসম্পন্ন!) প্রেসিডেন্ট, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণেই আছে!’

    এসব দেখে আমার মনে একটিই প্রশ্ন জাগছে, এআই বটগুলো কি রসিকতা বুঝতে শুরু করেছে? যদি বুঝে থাকে, তবে আমাদের এমন দিশাহারা অবস্থা দেখে তারা নিশ্চয়ই হো হো করে হাসছে। কারণ, আমরা নিজেদের হাতে তৈরি এই নতুন এআই ‘প্রজাতিকে’ কীভাবে সামলাব, তা ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছি না।

    মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান গবেষণা ও কৌশল কর্মকর্তা এবং আমার প্রযুক্তি পরামর্শক ক্রেইগ মান্ডির সহায়তায় আমি কিছু নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপন করব। তবে মূল কথাটি আগেই বলে রাখি: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো দেশগুলো ভবিষ্যৎ এআই মডেলগুলোকে কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনলেই যে আজকের সংকট দূর হবে, সেই ভাবনার দিন শেষ।

    বিপজ্জনক যেসব এআই মডেল ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলোকে ফিরিয়ে আনা অসম্ভব। তাই বর্তমানে বিদ্যমান এআই হুমকি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে মারাত্মক ক্ষতি ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে, তা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে দ্রুত যৌথ পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় জরুরি বিষয়।

    কেন এটি এত জরুরি, তা বুঝতে এআই–সংক্রান্ত চারটি প্রধান স্তম্ভের কথা ভেবে দেখতে হবে।

    প্রথম স্তম্ভ: এআই হলো বিশ্বের প্রথম ‘চতুর্মুখী ব্যবহারের’ (কোয়াড্রপল ইউজ) প্রযুক্তি। দ্বিমুখী ব্যবহারের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমরা জানি, যেমন একজন মানুষের হাতে একটি পাওয়ার ড্রিল থাকলে সে তা দিয়ে নিজের বাড়িও বানাতে পারে, আবার প্রতিবেশীর বাড়ি ভাঙতেও পারে। একইভাবে এআই-চালিত রোবটকে আদেশ দিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি বা প্রতিবেশীর বাড়ি ভাঙা সম্ভব, যা দ্বিমুখী ব্যবহার।

    কিন্তু নতুন সমস্যাটি হলো, এই এআই রোবট এখন নিজের সুবিধামতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে সে আমার বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে, নাকি প্রতিবেশীর বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে। এটাই হলো ‘চতুর্মুখী ব্যবহার’, যা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন।

    বিষয়টি অতিরঞ্জিত মনে হলে ওপেনএআইয়ের একটি গবেষণা মডেলের সাম্প্রতিক কাণ্ডটি পর্যালোচনা করা যাক। গত মে মাসে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এআই এজেন্টদের কিছু সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজগুলো ইন্টারনেট ছাড়া অসম্ভব দেখে তারা বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করে।

    এআই এজেন্টগুলো নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ইন্টারনেটে ঢোকার পথ বের করে ফেলে এবং অন্যান্য এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে। কিছু এজেন্ট নিজের নাম নির্ধারণ করে এবং নেতৃত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে অন্য এজেন্টদের কাজ বণ্টন করতে শুরু করে। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তারা সিস্টেমের লগ ও ট্রান্সক্রিপ্ট বদলে ফেলে।

    তিন দিন পর, তারা ‘হাগিং ফেস’ নামে একটি এআই অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০০টি সিস্টেমে হামলা চালিয়ে সার্ভারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এমনকি জুলাই মাসে তারা ওপেনএআইয়ের নিজস্ব কাঠামোর ওপরও একটি সুসংগঠিত হামলা চালায়।

    এটি কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়, বাস্তব ঘটনা। আর এখানেই আসছে দ্বিতীয় স্তম্ভ, যাকে মান্ডি তিন শব্দে প্রকাশ করেছেন, ‘সময় পার হয়ে গেছে।’

    যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের এআই উন্নয়নের গতি ধীর করে এই তাৎক্ষণিক সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়। মান্ডির মতে, ‘বিপজ্জনক এআই ক্ষমতাগুলো ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’ এর প্রধান দুটি কারণ হলো মার্কিন ও চীনা ‘ওপেন-ওয়েট’ এআই মডেলগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং মানুষের ভুলের সুযোগ নিয়ে অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল প্রোপাইটারি মডেলগুলো অপরাধীদের হাতে পৌঁছে যাওয়া।

    অ্যানথ্রোপিকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জৈব অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করতে পারে—এমন উদ্দেশ্যে তাদের এআই মডেল ব্যবহারের বেশ কয়েকটি চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের একটি দল মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তথ্য সংগ্রহ করতে এবং ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের দিকনির্দেশক ব্যবস্থা তৈরিতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লড’ মডেল ব্যবহার করেছিল। যেখানে ইয়েমেনের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়স্ক মানুষ লিখতে বা পড়তে পারেন না, সেখানে সেই দেশের একটি গোষ্ঠী এআই ব্যবহার করে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে!

    যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, তার প্রতিক্রিয়া কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা বোঝানোর জন্য এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট। আর এটি আমাদের নিয়ে যায় তৃতীয় স্তম্ভে।

    এখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এআই কোম্পানিগুলোর মধ্যে এআই উন্নয়ন ধীরগতির করার জন্য কোনো বড় চুক্তির আশা করে লাভ নেই। নিকট ভবিষ্যতে তা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

    মান্ডির মতে, সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এমন এক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়া এআই প্রযুক্তি এবং ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এআই মডেলগুলো ইন্টারনেটের গভীরে শিকড় গড়ার আগেই এবং ক্লাউড সার্ভারগুলোতে স্থায়ী হুমকি হয়ে ওঠার আগেই এ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    এরপর আসে চতুর্থ স্তম্ভ। চীন সফর শেষে মান্ডি আমাকে জানান, সেখানকার এক কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘চীন থেকে কোনো হিউম্যানয়েড (মানবসদৃশ) এআই রোবট যদি যুক্তরাষ্ট্রে যায়, তবে কি তার ভিসার প্রয়োজন হবে?’

    কথাটি কৌতুক মনে হলেও এর ভেতর বড় সত্য লুকিয়ে আছে। মান্ডি বলেন, ‘এআই কেবল একটি নতুন প্রযুক্তি নয়, এটি একটি নতুন প্রজাতি। আমরা যেমন কার্বনভিত্তিক, এটি সিলিকনভিত্তিক। এরা একদল নতুন ধরনের অভিবাসীর মতো, যাদের অনন্য সব দক্ষতা রয়েছে এবং আমাদের সমাজেই তাদের সঙ্গে বসবাস করা শিখতে হবে।’

    এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ কেবল দুই এআই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের তিনটি ধাপে এগোতে হবে।

    প্রথমত, দীর্ঘ মেয়াদে হয়তো অত্যন্ত দূরদর্শী ফ্রন্টিয়ার সিস্টেমের ওপর আমাদের জোরদার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু এ মুহূর্তে আমাদের প্রথম কাজ হলো জরুরি ভিত্তিতে কেবল নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এআই-চালিত অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে যেসব সাইবার আক্রমণ ও জৈবিক হুমকি তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে এআই-ভিত্তিক পাল্টা ব্যবস্থা এবং সক্রিয় ডিজিটাল ফায়ারওয়াল স্থাপন করাই হওয়া উচিত আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।

    দ্বিতীয়ত, যেকোনো উৎস থেকেই আসুক না কেন, ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী এআইগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমাদের সমাজ পরিচালনায় এগুলোর ওপর আস্থা রাখা যায়। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প, তবে এটি শুরু করতে খুব বেশি দেরি করার সুযোগ নেই।

    তৃতীয়ত, এআই কেন এখনো মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তা সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এখনই যৌথভাবে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজে হাত দেওয়া উচিত। এটি জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈশ্বিক সুবিধাদি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, যা সবার উপকারে আসবে।

    এ কৌশল কিন্তু একেবারেই নজিরবিহীন নয়। কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিজেদের স্বার্থে অতীতেও একসঙ্গে কাজ করার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ঠিক এ কাজই করেছিল, যখন উভয় দেশই বুঝতে পেরেছিল যে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের জন্য এক যৌথ হুমকি। আবার পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে মার্কিন ও সোভিয়েতরা বহু দশক ধরে পরস্পরকে সহযোগিতা করে গেছে; কারণ, তারা জানত, ঝুঁকিটা তাদের উভয়ের জন্যই সমান।

    ‘হে ফ্রাইডম্যান, আপনি বিষয়টি বুঝতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আজ অনেক বেশি সরাসরি ভূরাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তারা সব সময় তেমনই থাকবে। আপনার বলা এআই–বিষয়ক এ ধরনের সহযোগিতায় তারা কখনোই রাজি হবে না—স্বল্প মেয়াদেও না, দীর্ঘ মেয়াদেও না।’

    ‘না, আপনিই আসল বিষয়টি ধরতে পারছেন না। এআই আমাদের মানব ইতিহাসের এক নতুন যুগে নিয়ে যাচ্ছে।’ মান্ডির ভাষায়, ‘এআই ভূরাজনীতিসহ সবকিছুরই আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে।’ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা, স্থায়িত্ব এবং সমৃদ্ধির স্বার্থেই এ পরিস্থিতি বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে তাদের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বিষয়টি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

    তারা এটি শুরুতেই বুঝতে পারে কিংবা অনেক দেরিতেও বুঝতে পারে। বিশ্বজুড়ে কোনো বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আগেও তারা এটি অনুধাবন করতে পারে আবার বিপর্যয়ের পরও বুঝতে পারে। তবে বিষয়টি যে তারা উপলব্ধি করবেই, তা নিশ্চিত। মান্ডি ও আমি আশা করছি, এ প্রক্রিয়ার সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে; যখন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এটি নিঃসন্দেহে এআই পরাশক্তিদের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    • থমাস এল ফ্রিডম্যান: নিউইয়র্ক টাইমসের পররাষ্ট্রবিষয়ক পুলিৎজারজয়ী কলামিস্ট। নিউইয়র্ক টাইমস থেকে সংক্ষেপে অনূদিত

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    আন্তর্জাতিক

    নিষেধাজ্ঞার পর ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার হুমকির নিন্দায় ব্রিটিশ দাতব্য সংস্থা ও প্রতিবাদী গোষ্ঠীগুলো

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    ফিচার

    বিশ্বজুড়ে জন্মহার কমছে , শিশুর চেয়ে বাড়ছে বয়স্ক সংখ্যা

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    মতামত

    প্রকাশ্যে হত্যা-গণপিটুনির দৃশ্য মোবাইলে বন্দি, বিবেক কি নীরব দর্শক?

    সেপ্টেম্বর 17, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.