Close Menu
Citizens VoiceCitizens Voice
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube LinkedIn WhatsApp Telegram
    Citizens VoiceCitizens Voice শুক্র, অক্টো. 2, 2026
    • প্রথমপাতা
    • অর্থনীতি
    • বাণিজ্য
    • ব্যাংক
    • পুঁজিবাজার
    • বিমা
    • কর্পোরেট
    • বাংলাদেশ
    • আন্তর্জাতিক
    • আইন
    • অপরাধ
    • মতামত
    • অন্যান্য
      • খেলা
      • শিক্ষা
      • স্বাস্থ্য
      • প্রযুক্তি
      • ধর্ম
      • বিনোদন
      • সাহিত্য
      • বিশ্ব অর্থনীতি
      • ভূ-রাজনীতি
      • জলবায়ু ও পরিবেশ
      • লাইফস্টাইল
      • বিশ্লেষণ
      • বিশেষ বিশ্লেষণ
      • ভিডিও
    Citizens VoiceCitizens Voice
    Home » সতর্কতায় সুরক্ষা: সাইবার নিরাপত্তা ও আমাদের ব্যাংক কাঠামোর বাস্তবতা
    সম্পাদকীয়

    সতর্কতায় সুরক্ষা: সাইবার নিরাপত্তা ও আমাদের ব্যাংক কাঠামোর বাস্তবতা

    নিউজ ডেস্কঅক্টোবর 1, 2026
    Facebook Twitter Email Telegram WhatsApp Copy Link
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram WhatsApp Email Copy Link

    বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত এখন এমন এক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার প্রভাব শুধু ব্যাংকের শাখা বা লেনদেন ব্যবস্থায় নয়, পুরো অর্থনীতিতেই পড়ছে। একসময় ব্যাংকিংয়ের প্রধান ভরসা ছিল শাখা, কাগজের নথি, চেক ও নগদ অর্থ। এখন সেই বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, কার্ড, কিউআরভিত্তিক লেনদেন, ইলেকট্রনিক অর্থ স্থানান্তর, ডিজিটাল পরিচয় যাচাই এবং আন্তঃসংযুক্ত পেমেন্ট অবকাঠামো।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের পেমেন্ট সিস্টেমস প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে মোট লেনদেনের সংখ্যা ১০.৮ বিলিয়নে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি। একই সময়ে ডিজিটাল লেনদেনের পরিমাণ ও মূল্য—উভয়ই ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় প্রায় ১০ লাখ ব্যবসায়ী যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ ডিজিটাল লেনদেন এখন আর সীমিত কিছু শহুরে গ্রাহকের বিষয় নয়; এটি দেশের বৃহত্তর আর্থিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

    এই অগ্রগতি অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একটি বাস্তবতাও একই সঙ্গে সামনে এসেছে—ব্যাংকিং ব্যবস্থা যত বেশি প্রযুক্তিনির্ভর ও আন্তঃসংযুক্ত হবে, সাইবার আক্রমণের সম্ভাব্য ক্ষেত্রও তত বিস্তৃত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনলাইন আর্থিক সেবা, ক্লাউড ব্যবস্থা ও আন্তঃসংযুক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির সঙ্গে সাইবার ঝুঁকিও বাড়ছে। সুতরাং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের পরবর্তী ধাপ শুধু আরও দ্রুত লেনদেন নয়; আরও নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করাও।

    ঝুঁকির ধরন বদলে যাচ্ছে। ব্যাংকের বিরুদ্ধে সাইবার আক্রমণ বলতে এখন শুধু পাসওয়ার্ড চুরি বা কোনো ওয়েবসাইট অচল করে দেওয়াকে বোঝায় না। প্রতারকরা মানুষের বিশ্বাস, প্রযুক্তিগত দুর্বলতা এবং আন্তঃসংযুক্ত ব্যবস্থার সুযোগ একসঙ্গে কাজে লাগাচ্ছে।

    ফিশিং বা প্রতারণামূলক বার্তার মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ, ক্ষতিকর সফটওয়্যার দিয়ে যন্ত্রে প্রবেশ, পরিচয়পত্র চুরি, অননুমোদিত হিসাব ব্যবহারের চেষ্টা, তথ্য চুরি, র‍্যানসমওয়্যার, তৃতীয় পক্ষের প্রযুক্তিগত দুর্বলতা এবং ক্লাউড ব্যবস্থার ঝুঁকি—সবই এখন আর্থিক খাতের নিরাপত্তা আলোচনার অংশ।

    ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি ‘এরর৫২৪’ নামে একটি বৃহৎ এসএমএস-ফিশিং অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করে। এতে আর্থিক সেবাসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর সংযোগে নিয়ে গিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং পরিচয়পত্র ও কার্ডের তথ্য চুরির চেষ্টা করা হচ্ছিল। বাংলাদেশকেও এই অভিযানের লক্ষ্যভুক্ত দেশগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    জুলাইয়ে আরও উদ্বেগজনক একটি সতর্কতা আসে। গোল্ডফ্যাক্টরি বা গোল্ডপিকঅ্যাক্স নামের মোবাইল ব্যাংকিং ট্রোজান সম্পর্কে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি জানায়, এর উন্নত সংস্করণ মুখের জৈবিক পরিচিতি, পরিচয়পত্র ও প্রমাণীকরণ-সংক্রান্ত তথ্য চুরি করতে পারে। এমনকি চুরি করা মুখের তথ্য ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিওর মাধ্যমে জীবন্ত ব্যক্তির পরিচয় যাচাই ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়ার সক্ষমতার কথাও সতর্কতায় উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশে মোবাইলভিত্তিক ই-কেওয়াইসি, জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার ব্যাপক ব্যবহারের কারণে এই ধরনের হুমকি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ ভবিষ্যতের সাইবার অপরাধে শুধু ‘আপনার পাসওয়ার্ড কী?’—এই প্রশ্ন থাকবে না; আপনার ডিজিটাল পরিচয়, মুখের তথ্য এবং ব্যবহৃত যন্ত্রও আক্রমণের লক্ষ্য হতে পারে।

    ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতাও উপেক্ষণীয় নয়। সাইবার নিরাপত্তার সঙ্গে এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার সম্পর্কও গভীর হচ্ছে। ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে স্পিয়ার-ফিশিং অভিযানের বিষয়ে সতর্ক করে। সেখানে সন্দেহভাজন সাইডউইন্ডার গোষ্ঠীর কার্যক্রমের কথা বলা হয় এবং বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে নকল ওয়েব ঠিকানা ও পরিচয় ব্যবহার করে লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণের তথ্য তুলে ধরা হয়।

    সেপ্টেম্বরেও বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি দক্ষিণ এশিয়ার সরকারি ও আর্থিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে সাইডউইন্ডার-সংশ্লিষ্ট একটি সাইবার অভিযানের বিষয়ে সতর্কতা প্রকাশ করেছে। একই মাসে সাইডকপি, ক্লাউড পরিচয় এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি নিয়েও একাধিক সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে।

    তবে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কার্যক্রমকে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোতে সফল আক্রমণ হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক হবে না, যদি তার নিশ্চিত প্রমাণ না থাকে। সাইবার নিরাপত্তায় সম্ভাব্য হুমকি, শনাক্ত হওয়া আক্রমণ এবং নিশ্চিত সফল অনুপ্রবেশ—এই তিনটি বিষয়কে আলাদা করে দেখা জরুরি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো। এই পরিবর্তিত বাস্তবতার মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯ মার্চ ২০২৬ ‘সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো, সংস্করণ ১.০’ জারি করেছে। এটি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী, পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী, পেমেন্ট সিস্টেম পরিচালনাকারী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। কাঠামোটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬।

    কাঠামোটির বিশেষত্ব হলো, এটি শুধু কোনো নির্দিষ্ট প্রযুক্তি কেনার নির্দেশ দেয় না। বরং একটি প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক সাইবার ঝুঁকি কীভাবে শনাক্ত, নিয়ন্ত্রণ, পর্যবেক্ষণ, মোকাবিলা এবং আক্রমণের পর পুনরুদ্ধার করা হবে—তার একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা তৈরি করে।

    কাঠামোটি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজির সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর ছয়টি মূল কার্যক্রমের ধারণা অনুসরণ করেছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের কাঠামোয় প্রস্তুতি ও প্রতিবেদনকে পৃথক কার্যক্রম হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের কাঠামোতে প্রস্তুতি, শনাক্তকরণ, সুরক্ষা, আক্রমণ শনাক্তকরণ, প্রতিক্রিয়া, পুনরুদ্ধার ও প্রতিবেদন—এই সাতটি কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—সাইবার নিরাপত্তাকে শুধু তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব না রেখে প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বের মধ্যে আনা হয়েছে।

    পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্বও এখন গুরুত্বপূর্ণ। একটি ব্যাংকে অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকলেও যদি পরিচালনা পর্ষদ সাইবার ঝুঁকিকে ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা না করে, তাহলে নিরাপত্তা কাঠামো দুর্বল থেকে যেতে পারে।

    নতুন কাঠামোতে শীর্ষ ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম, তথ্যপ্রযুক্তি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষার দায়িত্বকে সমন্বিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধান তথ্যনিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগ, প্রয়োজনীয় জনবল ও বাজেট নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের নিয়মিত পর্যালোচনার বিষয়ও কাঠামোতে রাখা হয়েছে।

    ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় প্রচলিত ‘তিন স্তরের প্রতিরক্ষা’ ধারণাটিও এখানে প্রাসঙ্গিক। দৈনন্দিন কার্যক্রমে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ প্রথম স্তরের দায়িত্ব; ঝুঁকি ও পরিপালন বিভাগ দ্বিতীয় স্তরে নজরদারি করবে; আর অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা স্বাধীনভাবে তৃতীয় স্তরের নিশ্চয়তা দেবে। ফলে কোনো নিরাপত্তা ব্যর্থতাকে শুধু ‘আইটি বিভাগের সমস্যা’ বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কমে।

    সাইবার নিরাপত্তার জন্য যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা কঠিন। নতুন কাঠামোতে যোগ্য প্রধান তথ্যনিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগের কথা বলা হয়েছে এবং তাঁর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও আর্থিক বাজেট অনুমোদনের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার গ্রহণযোগ্য শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতাও থাকা প্রয়োজন।

    একই সঙ্গে নিরাপত্তা পরিচালনা কেন্দ্রের মাধ্যমে অব্যাহত পর্যবেক্ষণ ও সাইবার ঘটনা মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু আক্রমণ ঠেকাবে না; অস্বাভাবিক কার্যক্রম দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতাও থাকতে হবে।

    ৭২ ঘণ্টার প্রতিবেদন: দ্রুত তথ্য ভাগাভাগির প্রয়োজন। সাইবার আক্রমণের ক্ষেত্রে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি অনুপ্রবেশ যত দীর্ঘ সময় অজ্ঞাত থাকে, ক্ষতির সম্ভাবনাও তত বাড়তে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কাঠামো অনুযায়ী গুরুতর সাইবার ঘটনার ক্ষেত্রে ঘটনার সময় থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক পক্ষকে অবহিত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিজিডি-ই-গভ সিআইআরটিও রয়েছে।

    এখানে ‘৭২ ঘণ্টা’কে সব ধরনের নিরাপত্তা ঘটনার সাধারণ সময়সীমা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; কাঠামোতে গুরুতর সাইবার ঘটনার জন্য এই প্রতিবেদন-ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। দ্রুত প্রতিবেদন শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে তথ্য দেওয়ার বিষয় নয়। এর মাধ্যমে একই ধরনের আক্রমণ সম্পর্কে অন্য প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা, আক্রমণের ধরন বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যতের প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা সম্ভব।

    সাইবার অপরাধীরা অনেক সময় এমন দুর্বলতা ব্যবহার করে, যার সমাধান ইতোমধ্যেই সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান প্রকাশ করেছে। তাই নিরাপত্তা হালনাগাদ বা প্যাচ ব্যবস্থাপনা ব্যাংকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাঠামো অনুযায়ী সফটওয়্যারের নিরাপত্তা দুর্বলতা চিহ্নিত হলে সময়মতো নিরাপত্তা প্যাচ ও হালনাগাদ প্রয়োগের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

    এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ পুরোনো প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠানের জন্য। কোনো সফটওয়্যার দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে সেটিকে নিরাপদ ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। বরং নিয়মিত দুর্বলতা মূল্যায়ন, সফটওয়্যার হালনাগাদ এবং প্রয়োজন হলে পুরোনো প্রযুক্তি প্রতিস্থাপন করতে হবে।

    র‍্যানসমওয়্যার: তথ্যের পাশাপাশি সেবা অচল হওয়ার আশঙ্কা। র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্য বা কম্পিউটার ব্যবস্থা ব্যবহারের অযোগ্য করে অর্থ দাবি করা হতে পারে। ব্যাংকের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও গুরুতর, কারণ তথ্যের পাশাপাশি গ্রাহকের লেনদেন এবং গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ২০২৬ সালের আগস্টে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘দ্য জেন্টলম্যান’ নামে র‍্যানসমওয়্যার-অ্যাস-এ-সার্ভিস কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক করে। সংস্থাটি জানায়, এর আক্রমণ-প্রযুক্তি উইন্ডোজ, লিনাক্স, নেটওয়ার্ক স্টোরেজ, ভার্চুয়ালাইজেশনসহ বিভিন্ন পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    তবে সতর্কবার্তায় কোনো নির্দিষ্ট বাংলাদেশি ব্যাংক আক্রান্ত হয়েছে—এমন দাবি করা হয়নি। এই পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ। হুমকি সম্পর্কে সতর্ক হওয়া এবং কোনো প্রতিষ্ঠানে সফল আক্রমণ ঘটেছে—দুটি এক বিষয় নয়। এ কারণে নিরাপদ ও বিচ্ছিন্ন ব্যাকআপ, ব্যবসা-ধারাবাহিকতা পরিকল্পনা এবং দুর্যোগের পর দ্রুত সেবা পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া প্রয়োজন।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার সাইবার নিরাপত্তায় নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে। আক্রমণকারীরা বিশ্বাসযোগ্য প্রতারণামূলক বার্তা তৈরি, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার এবং মানুষের স্বাভাবিক আচরণকে কাজে লাগাতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে।

    ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটি এআই-সংশ্লিষ্ট পরিচিত ব্র্যান্ডের নাম ব্যবহার করে ফিশিং, পরিচয়পত্র চুরি ও ক্ষতিকর সফটওয়্যার ছড়ানোর বিষয়ে সতর্ক করেছে।

    অন্যদিকে একই প্রযুক্তি ব্যাংকের প্রতিরক্ষাতেও ব্যবহার করা যায়। অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত করা, ব্যবহারকারীর আচরণের পরিবর্তন বিশ্লেষণ, বিপুল নিরাপত্তা তথ্য দ্রুত পরীক্ষা এবং সন্দেহজনক কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সহায়ক হতে পারে। তবে এআইকে কোনো ‘জাদুকরি সমাধান’ হিসেবে দেখা উচিত নয়। ভুল শনাক্তকরণ, তথ্যের গুণগত মান, গোপনীয়তা এবং মানবীয় যাচাই—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।

    ই-কেওয়াইসি ও ডিজিটাল পরিচয়ের নিরাপত্তা। ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল হওয়ার সঙ্গে গ্রাহকের পরিচয় যাচাইও ক্রমশ প্রযুক্তিনির্ভর হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ১১ মার্চ ২০২৬ নতুন ই-কেওয়াইসি নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশিকাটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট আর্থিক সেবা প্রদানকারীদের জন্য প্রযোজ্য এবং ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।

    এই ব্যবস্থায় ডিজিটাল উপায়ে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই সহজ হলেও এর সঙ্গে নতুন ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। গোল্ডপিকঅ্যাক্সের মতো ক্ষতিকর সফটওয়্যার সম্পর্কে বিজিডি ই-গভ সিআইআরটির সতর্কতা দেখিয়েছে, মুখের পরিচিতি ও পরিচয়পত্রের তথ্যও এখন আক্রমণকারীদের লক্ষ্য হতে পারে। তাই ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু প্রযুক্তি চালু করাই যথেষ্ট নয়; পরিচয় চুরি হলে কীভাবে তা শনাক্ত করা হবে এবং কীভাবে দ্রুত ক্ষতি সীমিত করা হবে, সেই ব্যবস্থাও থাকতে হবে।

    তৃতীয় পক্ষের ঝুঁকি উপেক্ষা করা যাবে না। আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা বহু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও সেবা সরবরাহকারীর ওপর নির্ভরশীল। সফটওয়্যার, ক্লাউড, নেটওয়ার্ক, অ্যাপ্লিকেশন এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সেবা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে ব্যাংকের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ব্যাংকের নিজের ব্যবস্থা নিরাপদ হলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। কোনো তৃতীয় পক্ষের দুর্বলতা ব্যবহার করেও আক্রমণকারী মূল প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের পথ তৈরি করতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন কাঠামোতে সরবরাহকারী ঝুঁকি, ক্লাউড নিরাপত্তা এবং তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত সাইবার ঝুঁকিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণে চুক্তির আগে ও পরে সরবরাহকারীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই, প্রবেশাধিকার সীমিত করা, তথ্য ব্যবহারের পরিধি নির্ধারণ এবং কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত তথ্য জানানোর বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    সবচেয়ে বড় সম্পদ—সচেতন মানুষ। প্রযুক্তি যত উন্নতই হোক, মানুষের অসতর্কতা নিরাপত্তার বড় দুর্বলতা হয়ে উঠতে পারে। একটি ভুয়া ই-মেইল, সন্দেহজনক সংযোগ, অপরিচিত সফটওয়্যার বা অননুমোদিত ব্যক্তিকে দেওয়া প্রবেশাধিকার বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    তবে ‘সাইবার আক্রমণের ৯০ শতাংশই কর্মীর একটি ভুল ক্লিকের কারণে হয়’—এ ধরনের বহুল প্রচলিত সংখ্যা নির্ভরযোগ্য উৎস ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। বাস্তবতা হলো, মানবিক ভুল সাইবার ঝুঁকির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কিন্তু এর নির্দিষ্ট হার পরিস্থিতি, প্রতিষ্ঠান ও গবেষণার পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

    তাই ব্যাংকগুলোকে নিয়মিত কর্মী প্রশিক্ষণ, বাস্তবভিত্তিক মহড়া, সন্দেহজনক বার্তা শনাক্ত করার অনুশীলন এবং ঘটনা রিপোর্ট করার সহজ ব্যবস্থা চালু করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন কাঠামোতেও প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে রাখা হয়েছে।

    গ্রাহকও নিরাপত্তার অংশীদার। গ্রাহকের ক্ষেত্রেও কয়েকটি মৌলিক সতর্কতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পিন, পাসওয়ার্ড, একবার ব্যবহারযোগ্য যাচাইকরণ কোড বা কার্ডের গোপন তথ্য অন্যকে দেওয়া যাবে না। ব্যাংকের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ ফোন করলেই তাকে ব্যাংকের কর্মকর্তা ধরে নেওয়া যাবে না।

    সন্দেহজনক বার্তা বা সংযোগে প্রবেশ না করে ব্যাংকের নিজস্ব অ্যাপ বা পরিচিত ওয়েব ঠিকানা ব্যবহার করা নিরাপদ। কোনো অস্বাভাবিক লেনদেন চোখে পড়লে দ্রুত ব্যাংককে জানাতে হবে।

    বিশেষ করে এখন ‘জরুরি ব্যবস্থা’, ‘হিসাব বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘পুরস্কার পেয়েছেন’, ‘ঋণ অনুমোদিত হয়েছে’ কিংবা ‘পরিচয় পুনরায় যাচাই করুন’—এ ধরনের বার্তা ব্যবহার করে মানুষকে তাড়াহুড়া করানো প্রতারণার কার্যকর কৌশল হতে পারে। ২০২৬ সালের সিআইআরটি সতর্কতাগুলোতেও সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক কৌশলের ব্যবহার দেখা গেছে।

    রাষ্ট্র ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার দায়িত্ব। সাইবার নিরাপত্তা শুধু ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়। এটি আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার সঙ্গেও যুক্ত। বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের জুনে বাংলাদেশের আর্থিক খাত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থায়ন অনুমোদন করে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো আধুনিকীকরণ, সাইবার নিরাপত্তার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলা এবং খাতভিত্তিক তথ্য ও বিশ্লেষণ সক্ষমতা বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

    এই উদ্যোগ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট—ব্যাংকিং খাতের সাইবার নিরাপত্তাকে এখন আর বিচ্ছিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে না; এটি আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও তদারকির অংশ।

    ভবিষ্যতে ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে দ্রুত হুমকি-তথ্য বিনিময় আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। একটি প্রতিষ্ঠানে নতুন ধরনের আক্রমণ শনাক্ত হলে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো যেন দ্রুত সতর্ক হতে পারে, এমন সমন্বিত ব্যবস্থা পুরো খাতের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে পারে।

    নিরাপত্তার নতুন দর্শন: আক্রমণ ঠেকানো নয়, আক্রমণ হলেও টিকে থাকা। সাইবার নিরাপত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো—কেবল আক্রমণ প্রতিহত করার ধারণা থেকে সাইবার স্থিতিস্থাপকতার দিকে যাওয়া। কারণ কোনো প্রতিষ্ঠানই শতভাগ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না যে সেখানে কখনো আক্রমণের চেষ্টা হবে না।

    প্রশ্ন হলো, আক্রমণ হলে কত দ্রুত তা শনাক্ত করা যাবে? কতটা ক্ষতি সীমিত করা যাবে? গুরুত্বপূর্ণ সেবা কত দ্রুত ফিরিয়ে আনা যাবে? আক্রান্ত ব্যবস্থার পাশাপাশি নিরাপদ ব্যাকআপ কি কার্যকর থাকবে? এবং ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা উন্নত করা হবে? বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের কাঠামোতে প্রস্তুতি, শনাক্তকরণ, সুরক্ষা, প্রতিক্রিয়া, পুনরুদ্ধার এবং ঘটনার পর প্রতিবেদন ও পর্যালোচনার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্যও এই স্থিতিস্থাপকতা তৈরি করা।

    সামনে করণীয়। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সামনে এখন কয়েকটি কাজ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নতুন সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর কার্যকর পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত, নিরাপত্তাকে শুধু প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব না রেখে পরিচালনা পর্ষদ ও শীর্ষ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি-ব্যবস্থাপনার অংশ করতে হবে।

    তৃতীয়ত, দক্ষ সাইবার নিরাপত্তা জনবল তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। চতুর্থত, পুরোনো প্রযুক্তি, অনিরাপদ সফটওয়্যার ও দীর্ঘদিনের দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করে সময়মতো হালনাগাদ করতে হবে। পঞ্চমত, তৃতীয় পক্ষ ও ক্লাউড সেবার নিরাপত্তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে।

    ষষ্ঠত, নিরাপদ ব্যাকআপ ও দুর্যোগ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা বাস্তবে কাজ করে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। সপ্তমত, ব্যাংকগুলোর মধ্যে সাইবার হুমকি সম্পর্কে দ্রুত তথ্য বিনিময়ের ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে হবে। আর সবশেষে, গ্রাহকের সচেতনতা বাড়াতে ব্যাংকগুলোকে আরও সহজ, বাস্তবভিত্তিক ও ধারাবাহিক প্রচার চালাতে হবে।

    ব্যাংকের কাছে মানুষ শুধু টাকা জমা রাখে না; জমা রাখে বিশ্বাস। সেই বিশ্বাসের ভিত্তিতেই একটি ব্যাংকিং ব্যবস্থা দীর্ঘদিন টিকে থাকে। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যাংকিংকে দ্রুত ও সহজ করেছে, কিন্তু একই সঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বও বহুগুণ বাড়িয়েছে।

    বাংলাদেশের ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার বিস্তার যে বাস্তব ও দ্রুত—২০২৫ সালের ১০.৮ বিলিয়ন মোট লেনদেন এবং ডিজিটাল লেনদেনের ১৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি তারই একটি পরিমাপ। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে প্রযুক্তির সঙ্গে নিরাপত্তার অগ্রগতিও নিশ্চিত করতে হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের সাইবার নিরাপত্তা কাঠামো এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক ভিত্তি তৈরি করেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে এর পরিপালন নিশ্চিত করা শুধু একটি প্রশাসনিক সময়সীমা নয়; এটি দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা প্রস্তুতি যাচাইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।

    তবে কোনো কাঠামোই একা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। প্রয়োজন কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত পরীক্ষা, দক্ষ জনবল, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত ঘটনা মোকাবিলা, নিরাপদ ব্যাকআপ, তৃতীয় পক্ষের ওপর নজরদারি এবং সচেতন গ্রাহক। সাইবার নিরাপত্তা তাই কোনো এককালীন প্রকল্প নয়। এটি প্রতিদিনের চর্চা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং পরিবর্তিত হুমকির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।

    বাংলাদেশ যখন আরও ডিজিটাল ও আন্তঃসংযুক্ত আর্থিক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন লক্ষ্য শুধু ‘ক্যাশলেস’ হওয়া হতে পারে না। লক্ষ্য হতে হবে নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিস্থাপক ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা। কারণ একটি ব্যাংকের প্রযুক্তি যত আধুনিকই হোক, মানুষের আস্থা হারিয়ে গেলে সেই প্রযুক্তির সাফল্য অসম্পূর্ণ। আর সেই আস্থা রক্ষার প্রথম শর্তই হলো—সতর্কতা।

    Share. Facebook Twitter LinkedIn Email Telegram WhatsApp Copy Link

    সম্পর্কিত সংবাদ

    ব্যাংক

    প্রবাসীদের সঞ্চয়ে গড়া এনআরবি ব্যাংকের আমানত ১০,৮০০ কোটি ছাড়াল

    অক্টোবর 1, 2026
    ব্যাংক

    এক যুগে আমানত দ্বিগুণ, টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে মেঘনা ব্যাংক

    অক্টোবর 1, 2026
    ব্যাংক

    মূল্যস্ফীতির ঝুঁকিতে নীতিসুদ ৯.৫ শতাংশেই রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক

    অক্টোবর 1, 2026
    একটি মন্তব্য করুন Cancel Reply

    সর্বাধিক পঠিত

    ইস্পাত শিল্প তীব্র সংকটে উৎপাদন বন্ধের পথে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    আইএমএফের রিপোর্টে ঋণের নতুন রেকর্ড পৌছালো ১০০ ট্রিলিয়ন ডলারে

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    নতুন বাণিজ্য কৌশলে আরসেপে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024

    অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন তিন আমেরিকান অর্থনীতিবিদ

    অর্থনীতি অক্টোবর 16, 2024
    সংযুক্ত থাকুন
    • Facebook
    • Twitter
    • Instagram
    • YouTube
    • Telegram

    EMAIL US

    contact@citizensvoicebd.com

    FOLLOW US

    Facebook YouTube X (Twitter) LinkedIn
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement
    • About Us
    • Contact Us
    • Terms & Conditions
    • Comment Policy
    • Advertisement

    WhatsApp

    01339-517418

    Copyright © 2026 Citizens Voice All rights reserved

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.