টানা দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর একদিনের দরপতনের ধাক্কা কাটিয়ে আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের শেয়ারবাজার। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ার পাশাপাশি প্রধান সূচক ও লেনদেন—দুই ক্ষেত্রেই উন্নতি দেখা গেছে। এতে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কিছুটা ফিরে আসার ইঙ্গিত মিলেছে।
দিন শেষে ডিএসইতে ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যেখানে কমেছে ১৫৮টির। এর প্রভাবে প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬২১ পয়েন্টে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে শরিয়াহ সূচক ও ডিএসই-৩০ সূচকও ইতিবাচক অবস্থানে দিন শেষ করেছে।
লেনদেনেও ছিল ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি লেনদেন হয়েছে। দিনশেষে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ২১১ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ারে। এছাড়া বেক্সিমকো ফার্মা ও আইপিডিসি ফাইন্যান্সও শীর্ষ লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক অস্থিরতার মধ্যেও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকায় বাজারে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে। তবে টেকসই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কিছুটা কমলেও লেনদেন বেড়েছে, যা বাজারে সক্রিয়তার ইঙ্গিত বহন করে। সামগ্রিকভাবে একদিনের পতনের পর শেয়ারবাজারের এই প্রত্যাবর্তন বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

