বিমা ও বস্ত্র খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দরপতন সত্ত্বেও বড় মূলধনী কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বৃদ্ধির ফলে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে এদিন বাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
বুধবার (১৫ জুলাই) ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় প্রধান সূচক একপর্যায়ে ৫৫ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়ে যায়। তবে প্রথম ঘণ্টার পর বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হলে দরপতন শুরু হয়। এ প্রভাব অন্যান্য খাতেও ছড়িয়ে পড়ে।
তবুও বড় মূলধনী ও বাছাই করা কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় দিন শেষ করে। দিন শেষে ডিএসইতে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২১৮টির দাম কমেছে এবং ৫১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিমা খাতে ১১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়লেও ৪৪টির দর কমেছে। বস্ত্র খাতে ৮টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, আর ৪৬টির দর কমেছে। অন্যদিকে ডিএসই-৩০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২২টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম কমা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি হলেও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯২৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে সূচকটি ২০২৪ সালের ১৪ আগস্টের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।
এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২৪২ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে। বুধবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১ হাজার ৬৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকার তুলনায় ১৩৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা কম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৯১ পয়েন্ট বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০১টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ১২৫টির কমেছে এবং ৩০টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ৭৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।

