সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের পুঁজিবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। লেনদেনের শুরু থেকেই বিক্রির চাপ বাড়ায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম—উভয় শেয়ারবাজারের প্রধান সূচক কমেছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও নিম্নমুখী রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯১৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ সময় ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট হারিয়ে ২ হাজার ২৩১ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
লেনদেনের প্রথম ঘণ্টায় ডিএসইতে মোট ৩৮৩টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটের লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৯৯টির দাম বেড়েছে, ২০৪টির কমেছে এবং ৮৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সময়ে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৮২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) নেতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএএসপিআই সূচক আগের দিনের তুলনায় ২০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ সময় সিএসইতে ৮৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। একই সময় পর্যন্ত সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বিক্রির চাপ বেড়ে যাওয়ায় সূচক নিম্নমুখী রয়েছে। তবে দিনের শেষ ভাগে বড় মূলধনী কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রয়চাপ বাড়লে বাজারের অবস্থানে পরিবর্তন আসতে পারে।

