সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বগতির মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের পরিমাণ কমলেও অন্য বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তা উল্টো বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক প্রায় পনেরো পয়েন্ট বেড়ে সাড়ে পাঁচ হাজার ছয়শ পঞ্চান্নর ঘরে অবস্থান করছে। অন্য দুটি সূচকের মধ্যে শরিয়াহভিত্তিক সূচক পাঁচ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক আট পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে এগারোশ বত্রিশ ও একুশশ চৌত্রিশ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
তবে সূচক বাড়লেও এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় সাড়ে চারশ ছেষট্টি কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ঊনচল্লিশ কোটি টাকা কম। এর আগের কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল পাঁচশ ছয় কোটির বেশি টাকার।
বৃহস্পতিবার ডিএসইতে মোট তিনশ তিরানব্বইটি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে একশ পঁচাশিটির, কমেছে একশ চুয়াল্লিশটির এবং অপরিবর্তিত ছিল চৌষট্টিটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর।
এদিন লেনদেনের শীর্ষে থাকা দশটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল বেশ কয়েকটি টেক্সটাইল, স্টিল ও ব্যাংকিং খাতের কোম্পানি, পাশাপাশি ছিল কয়েকটি বহুল আলোচিত শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠানও।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক চার পয়েন্ট বেড়ে পনেরো হাজার একশ ছেষট্টি পয়েন্টে অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার সিএসইতে লেনদেন হওয়া একশ একাত্তরটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ারদর বেড়েছে একাত্তরটির, কমেছে আশিটির এবং অপরিবর্তিত ছিল কুড়িটি প্রতিষ্ঠানের দর।
এদিন সিএসইতে লেনদেন হয়েছে প্রায় একুশ কোটি তেইশ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের দিনের তুলনায় প্রায় সতেরো কোটি টাকা বেশি। এর আগের কার্যদিবসে সিএসইতে লেনদেন হয়েছিল মাত্র চার কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।

