চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা অখালাস করা পণ্য দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। কন্টেইনার জট কমানো, বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ঠেকাতে মে মাসজুড়ে ২২০ কন্টেইনার পণ্য অনলাইন নিলামে তোলা হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কাস্টমস সূত্র জানায়, অখালাসযোগ্য ও নিলাম উপযোগী পণ্য বিক্রির অংশ হিসেবে ই-অকশন পদ্ধতিতে এসব কন্টেইনার বিক্রি করা হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বিশেষ নির্দেশনার আওতায় প্রথম ধাপে ১২০টি লটে মোট ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হয়েছে।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি, কাগজ, ফেব্রিক্স, গৃহস্থালি পণ্য এবং এসি পার্টস। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই চালানগুলোর ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি।
এ ছাড়া আরও ১৭টি লটে ৬০ কন্টেইনার পণ্য ই-অকশনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের তালিকায় রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ।
কাস্টমস হাউস বলছে, পুরো নিলাম প্রক্রিয়া ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সহজ হবে। আগ্রহী ক্রেতারা মে মাসজুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন এবং পরে অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন।
বাংলাদেশ কাস্টমসের ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধনের মাধ্যমে ঘরে বসেই অংশগ্রহণ করা যাবে। তবে জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে।
কাস্টমস সূত্র আরও জানায়, আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় এবং ১৪ মে বিকেল ৩টায় দরপত্র বাক্স খোলা হবে। বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে এবং কন্টেইনার জট কমাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম চালু রাখা হবে।

